নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশাল শহরে আদালতের নির্দেশে ও প্রসাশনের উদ্যোগে ৪৩ বছর পর জমির প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জাল জালিয়াতি করে জবর দখল করা জমি ৪৩ বছর পর আদালতের নির্দেশে পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় মূল মালিক কে বুঝিয়ে দিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বরিশাল বগুরা আলেকান্দা মৌজার সাড়ে ১৪ শতাংশ জমি দীর্ঘ ৪৩ বছর জোর জবস্তি দখল করে রাখে মালেক গং। একাধিক মামলায় জমির প্রকৃত মালিক আব্দুল হাই বাপ্পির রায় পেলেও ক্ষমতার দাপটে মালেক গং জমির ভোগদখল করতে দেয়নি । নিম্মআদালত থেকে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে দীর্ঘ ৪৩ বছর আইনী লড়াই শেষে জমির প্রকৃত মালিক অবশেষে তার জমি বুঝে পেলন।
বরিশাল নগরীর মল্লিক রোডে বৃহস্পতিবার বিজ্ঞ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে জালিয়াতি চক্রকে উচ্ছেদ করেন বরিশাল সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলাম ।
এ বিষয়ে জমির মালিক আব্দুল হাই বাপ্পি বলেন, আমি দীর্ঘ ৪৩ বছর জজ কোর্ট, হাই কোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট এবং সুপ্রিমকোর্টের আপিল ডিভিশন এবং রিভিউ খারিজ হওয়ার পরে জেলা প্রশাসনের এডিএম কোর্টে উচ্ছেদের মামলা করছে এত বছর লড়াই সংগ্রাম করার পর আমির জমি আমি ফিরে পেয়েছি। আজকে এই জমি ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এজন্য আইননের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে একটাই দাবি এই ধরনের ভূমি জালিয়াতি চক্রের বিচার দাবি করছি।
এদিকে উক্ত জমিতে ভোগদখল করা আ: মালেক বলেন, আমরা উচ্ছেদের কোন নোটিশ পাইনী। আমাদের আগে এই ধরনের কোন নোটিশ দেয়া হয়নী।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা কালে বরিশাল সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলাম বলেন, বিজ্ঞ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে আজকে মল্লিক রোডের সাড়ে ১৪ শতক জমি মূল মালিকের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। গত ৩০ আগষ্ট এই ভূমি বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল আমরা সেই মোতাবেক কার্যক্রম পরিচালনা করি কিন্তু এখানে দীর্ঘদিন যারা ভোগ দখল করে আসছিল তাদের অভিযোগ ছিল তারা কোন নোটিশ পায়নী। তাই তাদের ১মাস সময় দেয়া হয়েছিল কিন্তু তারা কোন নোটিশ রিসিভ করেননী। তাই আদালতের নির্দেশ আজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমার চাকুরীর অভিজ্ঞতায় আজ পর্যন্ত শুনিনি কেহ নোটিশ পেয়েছেন তারা সবসময়ই একটা কমন ডায়লোগ দেন আমরা কোন নোটিশ পাইনি। এখানেই সেটাই হয়েছে। তারপরও আমি নিজে ১মাস সময় দেয়ার পরও বলছে তারা কোন নোটিশ পায়নী।
এই উচ্ছেদ অভিযানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা সহ কোতয়ালী থানার ওসি তদন্ত উপস্থিত ছিলেন।