নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এসোসিয়েশন (বিএমটিএ) এর বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন অনু‌ষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ৯ টায় ইনস্টিটিউট অব হেলথ্ টেকনোলজি (আইএইচটি), বরিশাল অনু‌ষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল টেনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট সমন্বয় পরিষদ, বরিশাল বিভাগ এর আয়োজনে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য, ড্যাব ও এম-ট্যাবের প্রধান উপদেষ্টা, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ পারভেজ রেজা কাকন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ক‌রেন বিএমটিএ কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি খাজা মাঈন উদ্দিন মঞ্জু। এম-ট্যাব বরিশাল আঞ্চলিক কমিটি, বরিশাল এর সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ এর সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছি‌লেন, বিএমটিএ কেন্দ্রীয় সংসদের মহাসচিব মোঃ বিপ্লবুজ্জামান বিপ্লব।

অনুষ্ঠা‌নে উপ‌স্থিত ছিলেন, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া, এম ট্যাব কেন্দ্রীয় সংসদ ঢাকা সভাপ‌তি এ.কে.এম মুসা লিটন, ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ সৈয়দ ইমতিয়াজ উদ্দিন সাজিদ, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ ফারুক আহমেদ, ড্যাব শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল শাখা, বরিশাল সভাপ‌তি ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম সেলিম, ড্যাব বরিশাল জেলা শাখা সভাপ‌তি ডাঃ মোঃ কবিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ আবদুল মুনয়েম সাদ, এম-ট্যাব বরিশাল আঞ্চলিক কমিটির সভাপ‌তি মোঃ ইউছুফ বাবুল প্রমুখ।

বরিশালের খবর ডেস্ক :
বরিশালের সদর উপজেলার চারকাউয়া এলাকার খাল থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের রহস্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। এছাড়াও হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার ও গৃহবধূর স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়া‌রি) বিকেলে এ তথ্য জানান বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ পরিদর্শক মো. ছগির হোসেন।

গ্রেপ্তার হত্যাকারী হলেন-ফিরোজ হাওলাদার (৩৫)। তিনি চরকাউয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড খন্দকার বাড়ির বাসিন্দা ইউসুফ হাওলাদারের ছেলে।

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে চরকাউয়া খান বাড়ির পিছনের খাল থেকে তিন সন্তানের জননী হাসিনা বেগমের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি চরকাউয়া গ্রামের বাসিন্দা ও চরকাউয়া মাঝি মাল্লা সমিতির সাবেক সভাপতি মো. ওমর ফারুকের স্ত্রী।

ডিবির পরিদর্শক ছগির হোসেন বলেন, সুদের জন্য দেওয়া পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে নারীকে হত্যা করেছে ফিরোজ। পরে মরদেহ গুম করতে খালে ফেলে দেয়। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মরদেহ উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফিরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে গৃহবধূর ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন, গলার স্বর্ণের চেইন দুইটি, আংটি দুইটি, এক জোড়া কানের দুল এবং হাতের বালা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া হত্যার কথা স্বীকার করেছেন ফিরোজ।

তার স্বীকারোক্তির বরাতে পরিদর্শক ছগির বলেন, হত্যাকারী ফিরোজের স্ত্রী একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করে দুই লাখ টাকা জমায়। করোনার সময় তার চাকরি চলে যায়। তখন স্ত্রীর পরামর্শে দুই লাখ টাকা গ্রামের সুদ ব্যবসায়ী হাসিনা বেগমকে দেওয়ার সিদ্বান্ত নেয়। স্ত্রীর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেয় ফিরোজ। কিন্তু মাসিক আড়াই হাজার টাকা চুক্তিতে হাসিনাকে দেয় দেড় লাখ টাকা। দুই মাস সুদ দেওয়ার পর হাসিনা টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে। হাসিনা প্রভাবশালী হওয়ায় কোনোভাবে টাকা আদায় করতে পারেনি। তাই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। সেই অনুযায়ী গত সোমবার বাসায় কেউ ছিলো না। তাই হাসিনাকে প্রলোভন দিয়ে বাসায় নেয় ফিরোজ। তিনি বাসায় গেলে পাঁচটি ঘুমের ওষুধ মেশানো দুধ খেতে দেয়। ওই দুধ খেয়ে হাসিনা অচেতন হয়ে পড়ে। রাত একটার দিকে গৃহবধূর হাত-পা বেঁধে তার স্বর্ণালংকার খুলে ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে হত্যা করে। পরে খালে ফেলে দেয়।

হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন ফারুক। বরিশালের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন নাজমিন জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জিআরও মো. হারুন জানান।

এদিকে বেলা ১১টায় চরকাউয়া বাসস্ট্যান্ডে হাসিনা হত্যাকারী গ্রেপ্তারে মানববন্ধন করা হয়। স্থানীয় জনগণের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে হত্যাকারী গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানানো হয়।

বরিশালের খবর ডেস্ক :
আওয়ামী দুঃশাসনের আমলে গণহত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বরিশাল নগরের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে সদররোডে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখা।

গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল মহানগরের সভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া সিকদারের সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাসেল।

গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল মহানগরের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল ফরহাদের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি মো. শামীম রেজা, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হাসান, কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর হোসেন আকাশসহ নেতারা।

এ সময় বক্তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট পতিত স্বৈরাচার সরকারের প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিবাদের জননী শেখ হাসিনা তার প্রভু রাষ্ট্র ভারতে পালিয়ে গিয়েও অডিও রেকর্ড প্রকাশের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করতে একের পর এক উসকানি প্রদান করছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার

ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দিয়ে গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সারাদেশে গুপ্ত হামলা, ঝটিকা মিছিল ও কথিত গণসংযোগ করেছে। এমনকি গত ২ ফেব্রুয়ারি জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে পুলিশের গাড়ি থেকে পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাবকে ছিনিয়ে নিয়েছে। ছাত্র-নাগরিক গণঅভ্যুত্থানের সরকারকে উৎখাত করতে দেশব্যাপী নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সারাদেশে হরতাল-অবরোধের ঘোষণাও দিয়েছে।

বক্তারা বলেন, সরকারি প্রথম ধাপের তালিকায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৮২৬ জন শহীদ ও ১১৩০৬ জনের গুরুতর আহত হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে। প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়েও অনেক বেশি বলে আন্দোলনকারী নেতারা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা মনে করেন। ছাত্র-জনতা-নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ইতিহাসের বর্বরোচিত হামলা, হত্যাযজ্ঞ চালিয়েও অপরাধীরা নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে, গ্রেপ্তাররা জামিনে মুক্ত হচ্ছে।

সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী এরই মধ্যে ৫৭২ জন আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছে। গত ৮ আগস্ট আপনার নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার গণহত্যাকারী আওয়ামী দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার ও বিচারের বিষয়ে যতটা কঠোর হওয়া দরকার ছিল, আমাদের কাছে তার বিপরীত চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে। যা অত্যন্ত উদ্বেগের ও শঙ্কার।

বক্তারা বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সহস্রাধিক মানুষ হত্যা, হাজার হাজার মানুষকে পঙ্গু করা, রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লেলিয়ে চালানো ইতিহাসের এ জঘন্যতম গণহত্যার সঠিক বিচার না হলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা থাকে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে রাজপথের আপসহীন নেতৃত্ব ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশীজন হিসেবে আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ একদলীয় ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েমে বিগত ১৬ বছরের সব শুম, খুন, উন্নয়নের নামে লুটপাট ও অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় এনে বিচার নিষ্পত্তি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও সংগঠনের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছি।

এ সময় তারা ৫ দফা দাবির কথা তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-জুলাই -আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিগত ১৬ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আহত, ক্ষতিগ্রস্ত ও শহীদদের সঠিক তালিকা তৈরি, ক্ষতিপূরণ এবং যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।

জুলাই গণহত্যায় জড়িত বিদেশে পলাতক গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড শেখ হাসিনাসহ সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের রাজনীতি নিষিদ্ধের পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

ফ্যাসিবাদের আমলে উন্নয়নের নামে লুটপাট, অর্থ পাচারে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত করা। জন-আকাঙ্ক্ষার নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে রাষ্ট্র সংস্কার ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে কার্যকর সংস্কার নিশ্চিতে অভ্যুত্থানের অংশীজনদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন ও নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা।

বিগত ১৬ বছরে ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেজিমে সংগঠিত গুম-খুন ও ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের ভুয়া নির্বাচনের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। যা নগরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর ৫ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জানায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মুয়াযয্ম হোসাইন হেলাল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ নতুন রাষ্ট্র চায় ,পুরাতন দিনের গান আর কেউ শুনতে চাই না। দেশ পরিচালনার জন্য দেশের মানুষ নতুন নেতৃত্ব দেখতে চাই। দেশের মানুষ এখন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। তিনি আরো বলেন, ১৯৪১ সালে ৭৫ জনকে নিয়ে এ সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয় আজকে বাংলাদেশে তিন থেকে চার কোটি মানুষ সরাসরি এ আন্দোলনের সাথে জড়িত। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির নেতৃবৃন্দের উপর গত ১৭ বছরে শত নির্যাতনের পরেও দেশের মানুষের পাশে আছে। অন্যদের মতো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। এই জন্য দেশের মানুষের আস্থার জায়গায় জামায়াতে ইসলামি।

১ লা ফেব্রুয়ারী শনিবার বরিশাল নগরীর পাবলিক লাইব্রেরিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বরিশাল মহানগরীর কোতোয়ালি উত্তর থানার উদ্যোগে আয়োজিত ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, মদিনার সনদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পরিচালিত হবে, ইনশাআল্লাহ্। সেখানে থাকবে না মারামারি, হানাহানি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি। এই জন্য সাধারণ মানুষকে জনে জনে বুঝাতে হবে, দেশের কল্যানের জন্য ইসলামী সমাজের বিকল্প কিছু নেই। বাংলাদেশে সবার কাছে ডাক্তার শফিকুর রহমান এখন সব থেকে জনপ্রিয় নেতা। তার নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হবে।

মহানগর শুরা সদস্য ও কোতোয়ালি উত্তর থানা আমির অধ্যাপক আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং তার উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া দায়িত্বশীল সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মু. বাবর। মহনগরীর সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার মিজানুর রহমান, থানা নায়েবে আমির অধ্যাপক গোলাম গোফরান, থানা সেক্রেটারি হাফেজ জাবের আল হাসানসহ ওয়ার্ড সভাপতি সেক্রেটারিসহ ইউনিট দায়িত্বশীল বৃন্দ।

গৌরনদী প্রতিনিধি :
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দরের অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং টরকী-সাউদের খাল খনন কর্মসুচির অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসন ।

শনিবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌরসভার প্রশাসক মো. আবু আবদুল্লাহ খান অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং টরকী-সাউদের খাল খনন কর্মসুচির অগ্রগতি পরিদর্শন কালে বলেন, টরকী বন্দরের ব্যবসায়ী ও জনসাধারনের স্বার্থে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান অব্যহৃত থাকবে।

এ সময় অন্যান্যদেও মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন, বিআরডিসির সহকারী প্রকৌশলী সাহেদ আহম্মেদ চৌধুরী, সার্ভেয়ার মিজানুর রহমান, টরকী বন্দর বণিক সমিতির সভাপতি শরীফ সাহাবুব হাসান, সাধারন সম্পাদক বদিউজ্জামান চঞ্চল সহ অন্যান্যরা।

উল্লেখ্য, টরকী-সাউদের খাল ও টরকী বাশাইল খাল দুইটির মোহনা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা উত্তোলণ করে রেখেছিলো স্থানীয় প্রভাবশালীরা। অবশেষে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খাল খনন করায় স্থানীয়দের মধ্যে স্তুতি ফিরে এসেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশালে ইসলামী ছাত্রশিবিরের গণমিছিল বরিশালে গণমিছিল করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা

বরিশাল: ফ্যাসিস্ট সরকারের গুম, খুন, দুর্নীতিসহ সব রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে বরিশালে গণমিছিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বরিশাল মহানগর শাখা।

শুক্রবার (৩১ জানুয়া‌রি) জুমার পর নগরের গির্জা মহল্লা রোডের জামে কশাই মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা।
মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বরিশাল মহানগর কমিটির সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম। আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ ও সমাজসেবা সম্পাদক হাফেজ ডা. রেজওয়ানুল হক, কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক হারুন অর রশিদ।

বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের গুম, খুন, দুর্নীতিসহ সব রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আবার যেন কোন স্বৈরাচার মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এ দেশে আর কোনো স্বৈরাচারের স্থান হবে না।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
মাদরাসাছাত্রকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর পরিকল্পিতভাবে চুরি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। প্লায়ার্স দিয়ে ওই মাদরাসাছাত্রের আঙুলের নখ তুলে ফেলার চেষ্টাও করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা লামিয়া বেগম।

এসময় তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।

চুরির মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে অভিযুক্ত হাসিব হাওলাদার বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। তিনি জেলা প্রশাসকের বাসভবনে কর্মরত।

নির্যাতনের শিকার শিশু আব্দুর রহিম (১৫)। বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর শরিফের ছেলে।

লিখিত বক্তব্যে লামিয়া বেগম বলেন, ‘আমার শিশুসন্তান আব্দুর রহিম হরিনাফুলিয়া ডা. লতিফা আরিফ ইসলামিয়া মাদরাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের হাফেজি বিভাগের ছাত্র। মাদরাসা বন্ধ থাকায় গত ২৪ জানুয়ারি বরিশাল নগরের শ্রীনাথ চ্যাটার্জি লেনে ফুফুর বাসায় বেড়াতে যায় সে। ওইদিন রাতে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারী হাসিব হাওলাদার ও তার দুলাভাই দ্বীন ইসলামসহ ৮-১০ জন মিলে আব্দুর রহিমকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, সেখানে নিয়ে অমানবিকভাবে রহিমকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে। এসময় তারা প্লায়ার্স দিয়ে আব্দুর রহিমের আঙুলের নখ তুলে ফেলার চেষ্টা করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে জখম করে। বিষয়টি শোনার পরে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। তখন আমাকেও নির্যাতন করে। এমনকি আমাকে আমার নিজের ঘরে অবরুদ্ধ রেখে ঘর-দরজা ভাঙচুর করে।

তিনি আরও বলেন, তাদের নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে আমি ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চাই। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় পুলিশ এসে নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো আমার ছেলেকেই থানায় ধরে নিয়ে যায়। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে চাকরির প্রভাব খাটিয়ে হাসিব হাওলাদার বাদী হয়ে আমার ছেলের বিরুদ্ধে চুরির মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে মামলা করেন। আর সেই মামলায় আমার নির্দেশ ছেলেকে শিশু আদালতের মাধ্যমে যশোর শিশু-কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

লামিয়া বলেন, গত ২৭ জানুয়ারি আব্দুর রহিমের জামিন হয়। এ ঘটনার পর থেকে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আমার পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন হাসিব হাওলাদার এবং এলাকায় ঢুকতেও দিচ্ছেন না। তাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

তবে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মামলার বাদী বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হাসিব হাওলাদার। তিনি বলেন, স্বর্ণালংকারসহ আমার বাসা থেকে এক লাখ পাঁচ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। আব্দুর রহিম নিজেই চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাছাড়া চুরির সময় তাকে ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখেছে সাক্ষীরা।

তবে শিশুটিকে পুলিশে না দিয়ে আটকে রাখার কারণ জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান হাসিব এবং দেখা করার প্রস্তাব দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ফেরদৌস হোসেন বলেন, ‘সন্দেহভাজন হিসেবে শিশু আব্দুর রহিমকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়। বিচারক তাকে শিশু-কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠিয়েছেন। তবে শিশুটির কাছে চুরির কোনো আলামত বা চোরাই মালামাল পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, বাদী মামলা দিতে এলে তাকে তো ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। আর মামলা নেওয়ার আগে তদন্তের প্রয়োজন নেই। বাদী মামলা দিয়েছে পুলিশ আসামি ধরে জেলে পাঠিয়েছে। এখন সে অপরাধী কিনা তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

তবে শিশু ও তার মাকে নির্যাতন এবং তাদের ঘর ভাঙচুরের ঘটনায় ৯৯৯-এ কল করে আইনি সহায়তা চেয়েও পুলিশ কেন তাদের সহায়তা করলো না সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ওসি।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. রায়হান কাওছার বলেছেন, দেশে খাবারের কোনো অভাব নেই। আছে খাদ্যজ্ঞানের অপ্রতুলতা। আমরা অনেক খাবার নষ্ট করছি। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় নগরীর মহাবাজে ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (বারটান) হলরুমে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা কলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, কোনটি কম পুষ্টি আর কোনটি অধিক পুষ্টি সে বিষয়ে অনেকেই ভাবছি না। আর এ জন্য দায়ী অসচেতনতা। পুষ্টি সম্পর্কে আজ আমরা যা জানলাম, তা যদি সাধারণ মানুষের মাঝে পৌঁছে দিতে পারি তাহলে জাতি আরো বেশি উপকৃত হবে।

বারটান আয়োজিত বরিশালে সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি শীর্ষক সেমিনারে প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্ব বিশেষ অতিথি ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মাহবুর রব্বানী এবং শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এফ আর খান।

অনুষ্ঠানের অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. বাবুল কুমার দাস, বারটানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জামাল হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মোসাম্মাৎ মরিয়ম, ডিএইর অতিরিক্ত পরিচালক মুসা ইবনে সাঈদ, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, বারটানের ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফারজানা ছিমি, নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা গোলাম রব্বানি, বাবুগঞ্জের কৃষক আবু বকর সুমন প্রমুখ।

সেমিনারে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৬০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) এর অভ্যন্তরে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বৃহষ্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ.টি.এম. রফিকুল ইসলাম একটি নোটিশ জারি করেছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে- সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতার ঘটনা পরিলক্ষিত হচ্ছে; যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার অন্তরায়।

এমতাবস্থায়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পাশাপাশি সকল শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে ওই নোটিশে।

উল্লেখ্য সম্প্রতি ছাত্র-জনতার অভ্যুস্থানে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে ৫ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে সন্ত্রাসের দ্বায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

আর নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের ঘোষিত কর্মসূচির বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দিবাগত রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ছাত্রদের আবাসিক হল ও ভোলা রোড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় গ্রাউন্ড ফ্লোরে এসে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রাকিব আহমেদ বলেন, বাংলার জমিনে ছাত্রলীগের মত সন্ত্রাসী সংগঠনের আর কোনো জায়গা হবে না। আবারও যদি আওয়ামী লীগ আর ছাত্রলীগ বাংলার জমিনে সংঘটিত হওয়ার চেষ্টা করে তাহলে আবু সাঈদের এক ফোটা রক্তের বিনিময় হলেও তাদের ফাসির মঞ্চে ঝোলানো হবে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আশিক আহমেদ বলেন, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই বাংলাদেশে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের আর কোনো ঠাই হবে না। এই সন্ত্রাসী সংগঠনকে রুখে দিতে প্রয়োজনে বাংলার ছাত্রসমাজ বারবার ঐক্যবদ্ধ হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
কূলখা‌নির বাজার করতে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে দুলাভাই-শ্যালককে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করেছে।

 

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। টনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার প্রত্যন্ত কুড়িরচর গ্রামের।

 

আহতরা হলেন কুড়িরচর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে কামরুল হাসান ও তার শ্যালক মিয়াদ হাওলাদার।

 

আহত কামরুল হাসান বলেন, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নানুর কূলখানির বাজার করার জন্য শ্যালক মিয়াদকে নিয়ে সরিকল বাজারে রওয়ানা দেই। পথিমধ্যে কুড়িরচর-ইসলামপুর ব্রীজের কাছে পৌঁছলে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ মান্নান হাওলাদারের ছেলে জসিম হাওলাদার, শামিম হাওলাদার ও তাদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী মোকসেদ মৃধা সহ ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী তাদের পথরোধ করে হামলা চালিয়ে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে।

 

এসময় হামলাকারীরা কূলখানির এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

 

তিনি আরও বলেন, প্রতিপক্ষ মান্নান হাওলাদারের সাথে জমি নিয়ে তার বিরোধ রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে ওই বিরোধের জেরধরে মান্নানের ছেলেরা এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।

 

তবে এবিষয়ে অভিযুক্ত জসিমের পিতা মান্নান হাওলাদার বলেন, হামলার ঘটনায় তাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই।

 

গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বলেন, এব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।