নিজস্ব প্রতিবেদক :
জোড়া লাগা শিশু রুহি আর জুহিকে আলাদা করার জটিল অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। এবার তারা আলাদাভাবে জীবনযাপন করতে পারবে বলে জানিয়েছে ডাক্তাররা।

আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং বিরল জটিলতম ৩ঘন্টা সার্জারীর মাধ্যমে তাদের নতুন জীবনের সূচনা হয়।

৬ মাস বয়সী শিশু রুহি এবং জুহি। জন্মগত ভাবে জোড়া লাগা শিশু দুটি মা এর কোলে এসেছিল কান্নার রূপ হয়ে। আজ বাব মা এর কোল আলো করছে, হাসি ফুটেছে মা এর মুখে। জন্মের পর থেকে শিশু দুটিকে ঢাকা মেডিকেল এর কেবিন এ রেখে সিকিৎসা প্রদান করা হয় এবং সার্জারীর জন্য প্রস্তুত করা হয়।

অবশেষে শিশু সার্জারী, নিউরো সার্জারী এবং প্লাষ্টিক সার্জারী টিমের যৌথ প্রচেষ্টায় এই জটিল অপারেশন সফল ভাবে সম্পন্ন হয়। শিশু সার্জান অধ্যাপক ডা কানিজ হাসিনা, নিউরো সার্জন অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম এবং প্লাষ্টিক সার্জন ডা নোয়াজেশ আলী খান এর নেতৃত্বে প্রায় ৩ ঘন্টার এ অপারেশন সম্পন্ন হয়।

টিম মেম্বার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল শেবাচিম এর সাবেক ছাত্র ডা. গাজী মাহমুদুল হাসান রুশো। তিনি জানান দুটি শিশুই সুস্থ আছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আওয়ামী লীগ শাসনামলে হামলা মামলা শিকার হয়ে ১৩ বছর আগে বিদেশে নির্বাসিত হয়েছিলেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলা বিএনপি নেতা জিয়া আমিন রাড়ী। দীর্ঘদিন পরে দেশে ফেরায় তাকে গণ সংবর্ধনা দিয়েছে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

 

দীর্ঘদিন আফ্রিকায় রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন সাবেক উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য ও বামরাইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জিয়া আমিন রাড়ী। আজ রবিবার (২২জুন) দুপুরে নিজ এলাকায় এসে পৌঁছান তিনি। এ সময় তাকে বরিশাল বিমানবন্দর থেকে নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করে এলাকায় নিয়ে আসেন। এর পরপরই বামরাইল অনাথ বন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে তাকে গণ সংবর্ধনা দেয়া হয়।

বামরাইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন যগ্লুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান শাহিন সিকদারের সঞ্চালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি,সাবেক উপজেলা যুবদলের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক ও সাবেক সহ-সভাপতি সরদার সিদ্দিকুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আফম সামসুদ্দোহা আজাদ,পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ শাহাবুদ্দিন আকন সাবু,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান লিখন,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ ইউসুফ হোসেন,বামরাইল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও প্রভাষক আঃ হালিম হাওলাদার,বামরাইল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সৈয়দ মেহেদী হাসান ডিটু,অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা মোঃ জিয়া আমিন রাড়ী।বক্তৃতা করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সোহেল দেওয়ান,উপজেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আলম রাড়ি,বামরাইল ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ নুরে আলম জোমাদ্দার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম রাড়ি, বামরাইল ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মোঃ মহসিন সরদার,বামরাইল ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোঃ সবুজ সরদার,জিয়া আমিন রাড়ীর চাচা মিজানুর রহমান রাড়ী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি ও উজিরপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাদুজ্জামান কমরেড,বামরাইল ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সপন ফকির,বামরাইল ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান মনির,বামরাইল ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ খলিল,কালিহাতা ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মাসুদ হাওলাদার,সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিচ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহেব আলী মৃধাসহ বামরাইল ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা।

এসময় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ফুলে ফুলে সিক্ত হলেন বিএনপি নেতা মোঃ জিয়া আমিন রাড়ী।

এদিকে বিএনপি নেতা জিয়া আমিন রাড়ীর আগমনকে ঘিরে তাকে একনজর দেখার জন্য ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায়। এছাড়া বামরাইল ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উচ্ছ্বাস আর উল্লাসে মেতে ওঠে। এদিকে বিএনপি নেতা মোঃ জিয়া আমিন রাড়ীকে স্বাগত জানাতে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা সমবেত হয় বামরাইলে।

তার আগমন উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা সকাল থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে বামরাইলে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চে জনসমুদ্রে পরিনত হয়। এককথায় দিনব্যাপী ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে জিয়া আমিন রাড়ী,জিয়া আমিন রাড়ী,বামরাইল ইউনিয়নের মাটি বিএনপির ঘাটি এ শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত ছিলো।

বরিশালের খবর ডেস্ক :
৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর মাছ ধরতে সাগরে নেমে মাত্র দ্বিতীয় দিনেই জেলেদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি। বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জাল ফেলে কাঙ্ক্ষিত রূপালি ইলিশ নিয়ে ফিরছেন তারা।

সেই মাছেই এখন প্রাণ ফিরে পেয়েছে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র।
শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘাটজুড়ে ছিল ইলিশ আর নানা সামুদ্রিক মাছের সরব উপস্থিতি, সেই সঙ্গে জেলে, শ্রমিক, আড়তদারদের ব্যস্ততা আর বাজারের গরম বাতাস।

মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে দ্বিতীয় দিনে ২০ হাজার ৮১৭ কেজি মাছ, যার মধ্যে ৯ হাজার ৩০৫ কেজিই ইলিশ। বাকি ১১ হাজার ৫১২ কেজি অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ। মাছের ঢল দেখেই বোঝা যায়, এ বছর বঙ্গোপসাগরের মাছের ভাণ্ডার আবারও সমৃদ্ধ হয়েছে।

তবে ইলিশের বাজারমূল্য এবার যেন আকাশ ছুঁয়েছে। ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ ১ লাখ টাকায়, ৯০০ গ্রামের ইলিশ ৮৯ থেকে ৯০ হাজার টাকা, ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ৬০ থেকে ৬৪ হাজার টাকা, আর ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৬ হাজার টাকায়। এত বেশি দামে ইলিশ বিক্রির চিত্র বহু বছরের পুরোনো।

বড় সাইজের ইলিশ থাকায় আড়তগুলোতে ক্রেতা ও পাইকারদের আগ্রহ তুঙ্গে। কিন্তু জেলেদের মুখে শোনা যাচ্ছে ভিন্ন সুর। সমুদ্রে মাছ পাওয়া গেলেও বেড়েছে খরচ। বরফ, ডিজেল এবং শ্রমিক সংকট জেলেদের কষ্ট বাড়িয়ে দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, লাভ তো হচ্ছে না, খরচ মেটানোই দায় হয়ে পড়ছে। বরফের সংকটে মাছের গুণগত মান ধরে রাখাও চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

অবরোধ শেষে মাছের সরবরাহ বেড়েছে, তবে মাছকে ঘাট থেকে বাজার পর্যন্ত নিরাপদে পৌঁছে দিতে পর্যাপ্ত বরফ না থাকায় দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অনেক মাছ। এতে বাজারে দাম পড়ে যাচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন জেলেরা।

পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার জানান, একদিনের মাছের পরিমাণ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, সাগরে মাছের প্রাচুর্য ফিরে এসেছে। তবে এখন জরুরি হয়ে উঠেছে উপযুক্ত সংরক্ষণ, দ্রুত বাজারজাতকরণ এবং পরিবহনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তা না হলে উৎপাদিত মাছের একটি বড় অংশই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মহসীন জানিয়েছেন, চলতি বছর ভারতের সঙ্গে সমন্বয়ে সফলভাবে মৎস্য সংরক্ষণ অভিযানে নিষেধাজ্ঞা পালন করা হয়েছে। তারই ফলাফল এখন দৃশ্যমান সাগরে মাছের উপস্থিতি বেড়েছে, বিশেষ করে ইলিশ।

তবে এই সফলতা টিকিয়ে রাখতে হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে। জেলেদের জন্য সহজ শর্তে বরফ, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে ভোক্তার জন্য সুলভ দামে ইলিশের বাজার নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

বঙ্গোপসাগরে এখন চলছে ইলিশের মৌসুম। এই রূপালি সোনার প্রাচুর্যে খুশি জেলে, আড়তদার ও মাছ ব্যবসায়ীরা। তবে বরফ, জ্বালানি সংকট এবং বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় এই সোনা যেন শেষ পর্যন্ত শুধুই কিছু হাতে গোনা ব্যবসায়ীর ঘরে আটকে না পড়ে এমনটাই প্রত্যাশা দেশের সাধারণ মানুষের।
সূত্র : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বরিশাল জেলা দক্ষিন কৃষকদলের এক জরুরী সাংগঠনিক সভায় ইউনিট সমূহের সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ জুন) বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় উজিরপুর উপজেলার সাংগঠনিক অবস্থাকে অধিকতর শক্তিশালী করা লক্ষ্যে ৩ (তিন) জন যুগ্ম-আহ্বাবায়ক নিয়োগের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় মোঃ রুবেল সরদার, মোঃ কাওসার খান, আবু বকর অপু কে যুগ্ম-আহ্বাবায়ক করা হয়।

উক্ত সভায় রুবেল সরদারকে কে স্বাক্ষর প্রদানের ক্ষমতা প্রদান করা হয়।

বরিশাল জেলার দক্ষিন কৃষকদলের আহ্ববায়ক এইচ.এম মোহসীন আলম এবং জেলা দক্ষিন কৃষকদলের সদস্য সচিব সফিউল আলম সফরুল স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

জেলা দক্ষিন কৃষকদলের সদস্য সচিব সফিউল আলম সফরুল জানায়, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম বেগবান করার লক্ষ্যে নতুন করে তিন জনকে যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে। এতে করে কৃষক দলের কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত হবে।

মো:এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ওটরা ইউনিয়নে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মাদকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১২ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে ওটরা চেরাগ আলী মার্কেটের সামনে থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিলটি ওটরা রাস্তার মাথায় শেষ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপির নেতাকর্মীরা”মাদক মুক্ত সমাজ করি,আগামীর দেশ গড়ি”এ শ্লোগান দেন। পুড়ো ওটরা ইউনিয়ন জুড়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাদক বিরোধী শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত ছিলো। ওটরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাকির খান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ মোল্লার নের্তৃত্বে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ শামিম আহমেদ, উজিরপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ কাইয়ুম খান,উপজেলা যুবদল নেতা মোঃ সোলায়মান হোসেন,যুব নেতা মাইনুল মৃধা। ওটরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ মিজান ফকির,ওটরা ইউনিয়ন ছাত্র দলের সভাপতি মোঃ রিয়াজ খান,২নং ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ আফজাল হোসেন মল্লিক, শ্রমিক দল নেতা হাজী মো: দেলোয়ার হোসেন, হাজী তাহের উদ্দিন ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো: সানি আহমেদ, ওটরা ইউনিয়ন সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ আতাউর রহমান,তিতুমীর কলেজ শাখার ছাত্র দলের সহ-সভাপতি মোঃ কাওছার মাহমুদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওটরা ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মীরা। পরিশেষে সংক্ষিপ্ত সভায় বক্তারা বলেন মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মা ও ছেলের উপর মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালিয়েও ক্ষ্যান্ত হয়নি।

উল্টো আহতদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছে। ওই মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসীদের অচিরেই গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন নেতাকর্মীরা। তা না হলে পরবর্তীতে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে হুশিয়ারি দেন বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যার সঙ্গে রোগীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের দুইটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ছয় সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২৪ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর।

এছাড়াও গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। এরমধ্যে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে পিরোজপুরের নেছারাবাদ এলাকার বাসিন্দা ইসরাত জাহান (২০)। বরগুনা হাসাতালে চিকিৎসাধীন চাঁন মিয়া (৭৫) ও গোশাই দাস (৮৫) নামের দুজন মারা গেছেন।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য মতে- চলতি মাসের শুরু থেকে বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ৪৮৬ জন। বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩২৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। এরমধ্যে বরগুনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বরগুনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৩৫৪ জন। আর মৃত ৭ জনের মধ্যে ৫ জনই বরগুনার।

এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, বৃষ্টি বাড়লেই আতংকিত হয়ে পড়ি। কারণ বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হয়। তখন মশার বিস্তার বেড়ে যায়। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। তবে এবার বিষয়টি ভিন্ন। কারন বৃষ্টি ছাড়াও ডেঙ্গু তার প্রভাব বিস্তার করছে। এর বড় কারন আমাদের অসচেতনতা।

তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে যত রোগী ভর্তি হয়েছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। কারণ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকে ভর্তি হওয়াসহ অনেক রোগী বাসা বাড়িতেও চিকিৎসা নেয়। সেই সংখ্যা আমাদের কাছে নেই। সেই সংখ্যা থাকলে সবাই বুঝতো ডেঙ্গু কত ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। আমাদের চিকিৎসাসেবা দেয়ার মতো সামর্থ্য রয়েছে। সবাই মিলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হলে সকলের সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই। সেই সাথে মশা জন্ম নিতে পারে এমন সব জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এসময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ জায়গা থেকে সচেতনতার আহবান জানান তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বরিশালে যথাযথ ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আযহা। সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক পরিবেশে ঈদের জামাত আদায় করতে পেরে শুকরিয়া জানিয়েছের মুসুল্লীরা।

 

আজ সকাল সাড়ে ৭ টায় নগরীর বান্দ রোডের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে ইমামতি করেন কালেক্টরেট জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

 

সকাল থেকেই ঈদ জামাতে অংশ গ্রহন করতে দলে দলে ঈদগা ময়দানে প্রবেশ করতে শুরু করেন মুসুল্লিরা।

 

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কায়ছার, জেলা প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন সহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মুসুল্লীরা প্রধান জামাতে অংশগ্রহন করেন। পরে মোনাজাতে দেশ ও জতীর মঙ্গল কামনা করা হয়।

 

নামাজ শেষে পরস্পরের সাথে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুসুল্লীরা।

 

প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়াও নগরী ৫০০ মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

 

মো:এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর :
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় জিয়াউর রহমান এর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বরিশাল জেলা কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক ও উজিরপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক, গন মানুষের নেতা এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।

মহান স্বাধীনতার ঘোষক,বহু দলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা,আধুনিক বাংলাদেশের রুপকার,বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-বীর উত্তম এর ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে উজিরপুর উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি এবং সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ব্যাপক আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২ জুন সোমবার উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ হুমায়ুন খান এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক সরদার সিদ্দিকুর রহমান সরদারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির আহবায়ক মোঃ শহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক এস এম আলাউদ্দিন,এ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বাদশা,পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ রোকনুজ্জামান টুলু, মালয়শিয়া বিএনপির সহ- সভাপতি মো: সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আ ফ ম সামসুদ্দোহা আজাদ, পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ শাহাবুদ্দিন আকন সাবু, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ মাহাবুবুর রহমান গোমস্তা, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ মিলন হাওলাদার, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক মোঃ ফায়জুল হক রাড়ী,পৌর কৃষক দলের আহবায়ক মোঃ মাছুম বিল্লাহ, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মোসাঃ পারুল বেগম, পৌর মহিলা দলের সভাপতি মোসাঃ মাকসুদা আক্তার শিল্পী,উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক মোঃ মনির সরদার, পৌর ছাত্র দলের আহবায়ক মোঃ আলাউদ্দিন বেপারী,বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আয়নাল হক, এম জাকারিয়া, মো: মোতালেব হাওলাদার,আঃ মন্নান হাওলাদার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী।

এদিকে এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সভাস্থলের সামনে জড়ো হতে থাকে একপর্যায়ে জনসমুদ্রে পরিনত হয়। পরিশেষে উপস্থিত সকলের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বক্তৃতাকালে সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান এবং বিএনপির হাতকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক আলোচনা করেন তিনি।

বরিশালের খবর ডেস্ক :
দ্বিতীয় দফায় রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক বসেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সোমবার বিকালে রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে কমিশনের চেয়ারম্যান এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এ বৈঠক শুরু হয়।

এর আগে, দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য বেইলি রোডে অবস্থিত ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রবেশ করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

এখন পর্যন্ত যেসব রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রবেশ করেছেন তারা হলেন-

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, ইসমাইল জবিউল্লাহ ও অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

১২ দলীয় জোটের মোস্তফা জামাল হায়দার ও শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় গণফ্রন্টের টিপু বিশ্বাস, খেলাফত মজলিসের ড. আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকী, এনসিপির নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, সারোয়ার তুষার, এনডিএমের মহাসচিব মোমিনুল আমিন, জেএসডির শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাজেদুল হক রুবেল, এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, বাংলাদেশ জাসদের ডা. মুশতাক, নাগরিক ঐক্যের সাকিব আনোয়ার, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাইয়ুম, এলডিপির লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হাসান সোহরাওয়ার্দী ও ড. নেয়ামুল বশির, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল ইসলাম নুর, আমজনতা পার্টির মিয়া মশিউজ্জামান।
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশাল অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ‘খামারি’ মোবাইল অ্যাপ ও ক্রপ জোনিং সিস্টেম এর উপর প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকাল ১১টায় বরিশাল ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় হল রুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শিকদার।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (কম্পিউটার ও জিআইএস ইউনিট) পরিচালক হাসান মোঃ হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিএআরসি ক্রপ জোনিং প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ আবিদ হোসেন চৌধুরী, জিআইএস এনালস্টি আবিদ কামাল, সয়েল এক্সপার্ট মোঃ ছাব্বির হোসেন, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ কিশোর রঞ্জন ও বিভাগের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন জেলার উপ পরিচালক, জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার সহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে এই অ্যাপ ব্যবহারে কৃষককে উদ্বুদ্ধ করতে পারলে সার সাশ্রয় ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে পারবে বলে ধারণা দেন ভক্তরা ।

যা গত ২০২৩ সালে আমন ধানের ৩৪টি প্রদর্শনী ট্রায়ালের গড় ফলাফলে সারের খরচ ৩৩.৯৯% কম ও ৬.৮৩% ফলন বৃদ্ধি হয়েছে। খামারি অ্যাপের সুপারিশ দেশব্যাপী বাস্তবায়ন করা হলে আমন মৌসুমে প্রায় ৮৯৬৫ কোটি টাকা আর্থিক লাভ অর্জন করা সম্ভব ।

এদিকে ২০২৩-২৪ সালের রবি মৌসুমে বোরো ধানের ৬০টি প্রদর্শনী ট্রায়ালে ১৮.২১% কম সার খরচ ও ৫.৫৯% ফলন বৃদ্ধি হয়েছে। দেশের ৫০.৫৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে খামারি অ্যাপ প্রদত্ত সার সুপারিশ ব্যবহার করা হলে দেশব্যাপী প্রায় ৮২০৫ কোটি টাকা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভবনা রয়েছে।#