খবর ডেস্ক :
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমান ভোটার হয়েছেন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) ছবি তুলে ও আঙুলের ছাপ দিয়ে তারা ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেন।

তারেক রহমান ভোটার হওয়ার সময় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ সঙ্গে ছিলেন।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এস এম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের বলেন, ওনারা আগেই অনলাইনে ফরম পূরণ করেছেন।

এখন আমাদের কাছে এসে কেবল আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
এনআইডি ডিজি বলেন, এরপর সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সার্ভারে সার্চ করে দেখবে যে, সেটা কারো সঙ্গে ম্যাচ করে কি না। ম্যাচ না করলে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এটা আমাদের কারো হাতে নেই।

আমাদের কাছ থেকে এনআইডি বা স্মার্টকার্ড নিতে পারবেন। আবার নিবন্ধনকারীর মোবাইলে মেসেজ যাবে, সেখান থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে গত বৃহস্পতিবার সপরিবার দেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। বিএনপি আগেই জানিয়েছিল শনিবার তিনি ভোটার হবেন।

এর আগে দলটির পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে বগুড়া-৬ আসনের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হতে হলে যে কোনো এলাকার ভোটার হলেই হয়। ২০০৮ সালের ছবিযুক্ত ভোটার তালিকার সময় সঙ্গত কারণে ভোটার হতে পারেননি তিনি।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে।

তার আগেই ভোটার হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
শনিবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে মা জুবাইদা রহমানের সঙ্গে ইটিআই ভবনে আসেন জাইমা রহমান। নিবন্ধন সম্পন্ন করে বেরিয়ে যান পৌনে একটার দিকে।

পরে তারেক রহমান ইটিআইতে আসেন দুপুর একটায়। বেরিয়ে যান সোয়া ১টার দিকে। জুবাইদা রহমান এর আগে জুন মাসের দিকে গুলশান এভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসার ঠিকানায় ভোটার হন। ১৯৬ নম্বর বাসভবনের ঠিকানা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, গুলাশান-২ নম্বর, ১৯ ওয়ার্ড, ঢাকা-১৭ আসন।

আবুল হোসেন রাজু, কুয়াকাটা :
পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় পতিতাবৃত্তি ও মাদকের ভয়াবহ বিস্তারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ডিসেম্বর)সন্ধ্যায় বাদ মাগরিব ঐক্য শিক্ষা নেতৃত্বের আয়োজনে এবং কুয়াকাটা স্টুডেন্ট এলায়েন্সের উদ্যোগে কুয়াকাটা প্রেসক্লাব থেকে মিছিলটি বের করা হয়।

মিছিলটি কুয়াকাটার গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে পরিণত হয়। এসময় অংশগ্রহণকারীরা
পতিতা-মাদক বন্ধ করো, যুবসমাজ রক্ষা করো, মাদকমুক্ত কুয়াকাটা চাইসহ নানা প্রতিবাদী স্লোগান দেন।

মহিপুর থানা ইমাম সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মোহাম্মদ মাঈনুল ইসলাম মন্নান বলেন, পতিতাবৃত্তি ও মাদক সমাজের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপ। এসব অপকর্মের কারণে আমাদের যুবসমাজ ধ্বংসের পথে যাচ্ছে। কুয়াকাটার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই চলতে দেওয়া যায় না। প্রশাসন ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে একযোগে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

সমাজসেবক মাওলানা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন,মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। আজকের এই ঝটিকা মিছিল প্রমাণ করে কুয়াকাটার শিক্ষার্থী ও যুবসমাজ আর নীরব থাকবে না।
সংগঠনের আহ্বায়ক মো. মহিম বলেন, যুবসমাজকে রক্ষা করতে হলে এখনই মাদক ও পতিতাবৃত্তির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত অভিযান ও স্থায়ী সমাধানের জোর দাবি জানাচ্ছি।

কুয়াকাটা স্টুডেন্ট এলায়েন্সের মুখপাত্র মো. মুজাহিদ সিফাত বলেন,অবিলম্বে পতিতাবৃত্তি ও মাদক ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক রাসেল মুসুল্লি, কুয়াকাটা স্টুডেন্ট এলায়েন্সের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম, স্টুডেন্ট এলায়েন্সের সদস্য সচিব আরিফুল ইসলাম, সদস্য জাহিদ মুসুল্লিসহ বিভিন্ন পেশার সচেতন মানুষ।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরায় তাকে স্বাগত জানিয়ে বরিশালে শুভেচ্ছা মিছিল করেছে বিএনপি।

আজ বুধবার বেলা ১২ টায় নগরীর সদর রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুভেচ্ছা মিছিল বের করে মহানগর বিএনপি। এতে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার জানান, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে বরিশাল থেকে ২০-২৫ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাবেন। ইতমধ্যে সড়ক ও নৌ পথে ৩ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় অবস্থান নিয়েছে। বরিশাল মহানগ বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আজ রাতে বরিশাল নদী বনাদর থেকে চারটি লঞ্চযোগে ঢাকায় যাবেন।

বরিশালের সর্বস্তরের মানুষকে জানাতে ও সকলকে আমন্ত্রন জানিয়ে তারা কর্মী সভা, আলোচনা ও শুভেচ্ছা মিছিল করছেন।

এর আগে বরিশাল মহানগর বিএনপির সাবেক নেতাকর্মীরা শুভেচ্ছা মিছিল বের করে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা কেউ পরিপূর্ণ নিরাপত্তার মধ্যে নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল সদর ৫ আসনের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।

সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। যারা হুমকি দেবে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। এটা যদি না করা হয় তাহলে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

আজ মঙ্গলবার রাত ৮টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ফয়জুল করিম বলেন, যারা প্রটোকল পাওয়ার পর্যায়ে যায়নি, অথচ সরকারি প্রটোকল অনুযায়ী দিচ্ছি এটা দেশের কোন ‘ল’ তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। আগামীতে প্রশাসন কোন দিকে ঝুঁকে যায় কি যায় না সে ব্যাপারে সনদিহান প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশ হত্যা বেড়ে গেছে। যারা নিজেদেরকে শক্তিশালী বিরোধীদল দাবি করে তারা হুমকি-ধুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর্যন্ত দেশে অবাক সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিক চাতক পাখিরমত তাকিয়ে আছে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য। যেখানে নির্বিঘ্নে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপেক্ষতা রক্ষা করতে পারিনি বলে অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, দুই একটা দলকে নিয়ে বৈঠক করছেন। এর মানে অন্য দলকে অবজ্ঞা করছেন। এটা তার নিরপেক্ষতা হারিয়ে ফেলছে। এজন্য ইসলামী আন্দোলন সঙ্কিত।

নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিগত দিনে যারা সিইসি ছিল তাদের পরিণতি কি হয়েছে তা সবাই দেখেছে। ভবিষ্যতে কোন সিএসসি এইভাবে মবের আওতাধীন চলে আসুক, তাদের ব্যাপারে মব সৃষ্টি করা হোক সেটা তারা চায়না।

আগামী নির্বাচনে যেন অবশ্যই পেশি শক্তির ব্যবহার করা না হয়, কালো টাকার ছড়াছড়ি না হয়, কেউ কাউকে হুমকি দিতে না পারে এজন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশালে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা আশা’র বিভাগীয় পর্যায়ের কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২২ মার্চ) সকাল ১০টায় বরিশাল সদর উপজেলা হলরুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আশা’র চলমান কার্যক্রম, সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

সভায় জানানো হয়, আশা চার দশকেরও বেশি সময় ধরে দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করে আসছে। আশা’র ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের মাধ্যমে বর্তমানে দেশের প্রায় ৭০ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি আত্মনির্ভর ও স্ব-অর্থায়িত ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয় এবং অনুদানমুক্ত থেকে নিজস্ব সম্পদের ওপর নির্ভর করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি উদ্বৃত্ত আয়ের একটি অংশ কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সিএসআর) কার্যক্রমে ব্যয় করা হচ্ছে। এছাড়া এশিয়া ও আফ্রিকার ১৩টি দেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে আশা।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মানজুয়া মুশাররফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন খলিফা।

আশা বরিশাল ডিভিশনাল ম্যানেজার মোঃ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় আশা’র আর্থিক সেবাসমূহের মধ্যে ক্ষুদ্রঋণ, এমএসএমই ঋণ, কৃষি ঋণ, স্যানিটেশন ঋণ, শিক্ষা ঋণ, সঞ্চয় ও রেমিট্যান্স সেবার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। জানানো হয়, সারা দেশে প্রায় ৭০ লাখ পরিবার আশা’র সেবার আওতায় রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ নারী সদস্য। সিএসআর কার্যক্রমের আওতায় প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সহায়তা, উচ্চশিক্ষা বৃত্তি, ফিজিওথেরাপি সেবা, শীতবস্ত্র বিতরণ, স্যানিটেশন কার্যক্রম এবং আশা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশা-ম্যাটসের মাধ্যমে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ ছাড়ে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে ২০০টি ব্রাঞ্চের মাধ্যমে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ৪ লাখ ২৩ হাজার ৮৬৬ জনকে ৩ হাজার ৩৩৭ দশমিক ০৩ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ৪ লাখ ৪৫ হাজার জনকে ৩ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বীমা দাবির বিপরীতে ২ হাজার ২৩৮ জনকে ৯ দশমিক ৪৬ কোটি টাকা, সদস্য অবসর ভাতা বাবদ ৪৬ জনকে ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা, চিকিৎসা সহায়তা বাবদ ৭৭৯ জনকে ২৩ দশমিক ১২ লাখ টাকা এবং মৃত্যুজনিত দাফন-কাফন বাবদ ৬৭৩ জনকে ৩৩ দশমিক ৬৫ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচির আওতায় বরিশাল বিভাগের ৯৮৩টি শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে ২৫ হাজার ৩২ জন শিশুকে পাঠদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভাগে স্থাপিত ৩টি ফিজিওথেরাপি সেন্টারের মাধ্যমে স্বল্প খরচে ২২ হাজার ৪০০ জনকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আশা’র আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক দীপক চক্রবর্তী এবং কার্যক্রম উপস্থাপন করেন সিনিয়র এডিশনাল ডিভিশনাল ম্যানেজার মোঃ জালাল উদ্দিন।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা আশা’র কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের তথ্যভিত্তিক সভা নিয়মিত আয়োজনের আহ্বান জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাকেরগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে কর্মী তারবিয়াত ও কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর ও শায়েখে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি তার বক্তব্যে ইসলামী আদর্শভিত্তিক সমাজ গঠন, ন্যায়নীতি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় সংগঠনের কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম আল আমিন চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরের সহ-সভাপতি মাওলানা নাছির আহমাদ কাওসার, বামুক বরিশাল জেলা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন মৃধা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাকেরগঞ্জ উপজেলা পশ্চিম শাখার সভাপতি মাওলানা মোঃ নাছির উদ্দীন রোকন ডাকুয়াসহ স্থানীয় ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

কর্মী সভায় বক্তারা সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা এবং আসন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া–গৌরনদী) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রাসেল সরদার মেহেদী দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর ২০২৫) আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গৌরনদী উপজেলা সহ-সভাপতি মাওলানা আবু ইউসুফ, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা এমদাদ হোসেন, আগৈলঝাড়া উপজেলা সেক্রেটারি পারভেজ মিয়া, উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা ইমরান হোসাইনসহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। নেতৃবৃন্দ জানান, ন্যায়নীতি, ইসলামী মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতির বার্তা নিয়ে তারা নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন।

এ সময় একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতারা।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-০৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় তিনি বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার রুমানা আফরোজের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাকেরগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির জোমাদ্দার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ জোমাদ্দার, সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান মিয়া, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন তালুকদার শাহিন, উপজেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান চুন্নু চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল ভিপি, রুহুল আমিন জোমাদ্দার, কাজী শাহ আলম এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আলমগীর হোসেন শাহিন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এনায়েত হোসেন খান বিপু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রোমান, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সাইদুর রহমান রুবেল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হুদা সুমন, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি লিটন মৃধা, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার এবং সরকারি বাকেরগঞ্জ কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিয়ান আহমেদ রনি প্রমুখ।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। নেতাকর্মীরা জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খানের নেতৃত্বে বাকেরগঞ্জ আসনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করবেন।

এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সফল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে পথসভায় উজিরপুর উপজেলা যুবদলের সভাপতি আফম সামসুদ্দোহা আজাদ এর নের্তৃত্বে ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়েছে।

২১ ডিসেম্বর বিকেলে উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী টোল প্লাজার সামনে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে পথসভায় ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় করে উজিরপুর উপজেলা যুবদলসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের শত শত নেতাকর্মী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর উপজেলা যুবদলের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি আফম সামসুদ্দোহা আজাদ,সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম কাইউম,সাধারণ সম্পাদক মো.মনির হোসেন মল্লিক,সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মো.ফজলুল হক বিশ্বাস,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রিয়াজ সিকদারসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।

এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে নবনির্বাচিত উজিরপুর উপজেলা যুবদলের কমিটির পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

আবুল হোসেন রাজু, কুয়াকাটা :
অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী রাখাইন লাচাউ (৮০) রাখাইন নারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে রাখাইনরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে দশটায় ঢাকা–কুয়াকাটা মহাসড়কের আলীপুর থ্রী-পয়েন্ট এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন, রাখাইন সমাজ কল্যান সমিতি,বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম এর যৌথ আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে পটুয়াখালীর মহিপুর থানা এলাকার কালাচান পাড়া, আমখোলা পাড়া, কেরানী পাড়া, মিশ্রি পাড়া, নাইউরী পাড়া, গোড়া আমখোলা পাড়া সহ বিভিন্ন পাড়ার রাখাইন সম্প্রদায়ের দেড় শতাধিক নারী-পুরুষসহ নানা শ্রেনীর মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন এর সভাপতি এবং তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মংলাচিং মং, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লাচাউ এর বোনের ছেলে অংচাচান তালুকদার, মিসেস উখ্যান চান, ভুক্তভোগী ইউনুস মাষ্টার প্রমুখ।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী রাখাইনরা বলেন, রাখাইন সম্প্রদায় এ অঞ্চলের আদি বাসিন্দা হলেও একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী দম্পতি বিক্রি জমি দ্বিতীয় বার বিক্রির পায়তারা সহ তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করছে। পাশাপাশি ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নানাভাবে হয়রানির মাধ্যমে তাদের বসতভিটা ও অধিকার থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে।

রাখাইনরা অভিযোগ করেন, প্রবাসে থাকা অবস্থায় কালাচাঁন পাড়ার নিবাসী পিতা মৃত: সংথুই এর কন্যা মিসেস: লাচাট (৮০) বিগত ০৮ আগস্ট ২০০০ খ্রিষ্টদ্ধে তার স্বামী মি: অংশাচিং (৮৩) কে তার নিজ রেকর্ডীয় ভূমি, ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত ভূমি ও সাব-কবলামূলে ক্রয়কৃত ভূমির দেখাশুনা, মামলা পরিচালনা ও বিক্রির ক্ষমতা (পাওয়ার অফ এ্যার্টনি) প্রদান করেন যা মিনিস্ট্রি অফ ফরেন অ্যাফেয়ার’স বাংলাদেশ কর্তৃক ১০ সেপ্টেম্বর ২০০০ খ্রিঃ সত্যায়িত করা হয়। পরবর্তীতে মিসেস: লাচাউর স্বামী মি: অংশাচিং অত্র পাওয়ার অফ এ্যার্টনি’র/আমোক্তার ক্ষমতার বলে জমি দেখাশুনা ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কর্তৃক ১৯৫০ সালের প্রজাসত্ব আইনের ৯৭ ধারা অনুসারে রাখাইনদের ভূমি বিক্রির অনুমতি নিয়ে বিভিন্ন লোকের নিকট সাব-কবলা মূলে বিক্রি করেন। ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে তিনি বাংলাদেশে অবস্থানরত অবস্থায় এবং ভূমির প্রকৃত মালিক মিসেস: লাচাউ তার স্বামী সাথে ২০০২,২০০৩,২০০৫ ও ২০০৮ সালে অবস্থান করেন।

একই সাথে তার ভূমিগুলো বিক্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করতে থাকেন। ২০১০ সালে ১৭ এপ্রিল রোজ শনিবার কালাচাঁন পাড়া ত্যাগ করেন এবং ২০১০ সালে ২০ এপ্রিল রোজ মঙ্গলবার মালেশিয়া এয়ারলাইন্স এর রাত্র ১টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন অস্ট্রেলিয়া উদ্দেশ্যে। মিসেস: লাচাউ-এর স্বামী মি: অংশাচিং বাংলাদেশ ত্যাগের পূর্বে ২০১০ সালে ১৬ এপ্রিল তারিখে মোকাম পটুয়াখালী নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ের ২২৫ নং ক্ষমতা পত্র প্রদান করেন (১) মিঃ মংমিয়াচিং মাস্টার, পিতা-মৃত: পুষে কবিরাজ, (২) মোঃ ইউসুফ মুসুল্লী, পিতা: মো: কাদের মুসুল্লীর নিকট তার নিজ নামে ও এক স্ত্রী মিসেস: লাচাউ রাখাইন এবং তার দুই পুত্র মি: উওয়েনচিং ও মি: ম্যাওয়েনচিং এর নামে যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সকল সম্পত্তি দেখাশুনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এমনকি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ হতে মহামান্য হাইকোর্ট পর্যন্ত মামলা মোকদ্দমা উদ্ভব হলে তার দেখাশুনা ও পরিচালনা করা জন্য ক্ষমতা প্রদান করেন। যা পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার সকল রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন অবগত ছিল। এবং মি: অংশাচিং বাংলাদেশে অবস্থানকালীন রাখাইন বুডিষ্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন’বাংলাদেশ-এর পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন। একই সাথে কুয়াকাটা রাখাইন কালচারাল একাডেমির ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০১০ সালের স্বামী অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাওয়ার দীর্ঘ ১১/১২ বছর পর মিসেস: লাচাউ প্রবাসে বসে স্বামীর নীল নকসার বাস্তবায়ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে একা ২০২২ সালে আবার বাংলাদেশে চলে আসেন। আসার পর ২০০০ সালে তার নিজ স্বামীকে দেওয়া ৪৩০ নং পাওয়ার অফ এ্যার্টনী (আমোক্তারনামা) কে তিনি অস্বীকার করে সাব-কবলামূলে ক্রয়কৃত জমি মালিকদেরকে বিভিন্ন ধরনের প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা বানোয়াট মামলা প্রদান করতে থাকেন। এবং মিসেস: লাচাউ রাখাইন জেলা পর্যায়, স্থানীয় পর্যায় বিভিন্ন ভূমিগ্রাসীদের মাধ্যমে হুমকি প্রদান করেন যা এখনও অব্যহত রয়েছে। তারই অতিলোভে বেশি লাভের আশায় এ ধরনের সন্ত্রাসী ও চাদাবাজদের ন্যায় কর্মকান্ডে অত্র রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রতি ক্রয়কৃত ভূমি মালিকদের বিরুপ মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। যা ভবিষ্যৎতে তাদের অনৈতিক কর্মকান্ডের কারনে অত্র এলাকার রাখাইন সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব চরম হুমকির মধ্যে আছে দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে বসবাস করে আসা রাখাইন আদিবাসীরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নারী ও শিশুদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, হুমকি ও হয়রানি বন্ধ এবং রাখাইন আদিবাসীদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি জানানো হয়। দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।