খবর ডেস্ক :
বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে বরিশাল-৪ আসনের প্রার্থী রাজীব আহসানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি মামলা রয়েছে। বরিশাল-১ আসনের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কম মামলা রয়েছে। আর বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে বরিশাল-৩ আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া আ. ছত্তার খানের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বরিশাল-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান ৮৪টি মামলার আসামি ছিলেন। এর মধ্যে দুইটি মামলা চলমান রয়েছে। বাকি মামলা থেকে অব্যাহতি ও খালাস পেয়েছেন তিনি।

বরিশাল-৩ আসনের জয়নুল আবেদীন ২৫টি মামলার আসামি ছিলেন। অধিকাংশ উচ্চআদালত থেকে বাতিল ও তদন্তে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি। একই আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া বিএনপি নেতা আ. ছত্তার খানের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।

বরিশাল-৫ আসনের মজিবর রহমান সরোয়ার ২৩টি মামলার আসামি ছিলেন। এর মধ্যে ৯টি মামলা বিচারাধীন রয়েছেন। অন্য মামলাগুলো থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

বরিশাল-৬ আসনের প্রার্থী আবুল হোসেন খান সাতটি মামলার আসামি। এর মধ্যে ছয়টি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। একটি মামলায় জামিনে রয়েছেন।

বরিশাল-২ আসনের সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু ছয়টি মামলার আসামি। এর মধ্যে একটি উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ রয়েছে। অপর পাঁচটি তদন্তনাধীন রয়েছে। দুইটি মামলার আসামি হিসেবে খালাস পেয়েছেন বরিশাল-১ আসনের প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপন। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সোবহান আটটি মামলার আসামি। এর মধ্যে ৬টি বিচারাধীন ও দুইটি মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন তিনি।

খবর ডেস্ক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া হলফনামায় নিজের আর্থিক অবস্থার বিবরণ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব ও ঝালকাঠির-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মাহমুদা আলম মিতু।

 

মিতুর দেওয়া হলফনামার তথ্যে উঠে এসেছে, তার কাছে নগদ রয়েছে ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা রয়েছে ৫১ হাজার টাকা। সোনা রয়েছে ২০ ভরি। মোট সম্পদের মূল্য ৭৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

 

হলফনামায় তার স্বামীর নগদ টাকা রয়েছে ৪৫ লাখ ৭৯ হাজার ৬৯৪ টাকা, ব্যাংকে রয়েছে ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৩৭৪ টাকা, আসবাপত্র ১ লাখ ২০ হাজা টাকার। মোট ৫৩ লাখ ৪২ হাজার ২ শত ৬৮ টাকা রয়েছে তার। তার স্থাবর ও অস্থাবর কোনো সম্পত্তি নেই।

 

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আবুল হোসেন রাজু, কুয়াকাটা:

 সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কুয়াকাটায় পাঁচ শতাধিক অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেছে পৌর বিএনপির ৭ নং ওয়ার্ড সভাপতি জাহাঙ্গীর মোল্লা। রবিবার সকালে তার পাঞ্জুপাড়াস্থ নিজ বাড়িতে বসে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। পরে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।

কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত উপকূলীয় এলাকার শীতার্তদের মানুষের পাশে দাড়ানোয় প্রশংসা কুড়িয়েছে এই বিএনপি নেতা।

 

মোঃ কুদ্দুস মিয়া (উপকারভোগী) বলেন,এই কনকনে শীতে শীতবস্ত্র পেয়ে আমরা খুবই উপকৃত হয়েছি। শীতের কারণে অনেক কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছিল। যারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। এমন মানবিক উদ্যোগ শীতার্ত মানুষের জন্য বড় সহায়তা।

 

মোমেনা বেগম (উপকারভোগী)বলেন,শীতবস্ত্র পেয়ে অনেক স্বস্তি পেয়েছি। শীতের রাতে কষ্ট কমবে। আমাদের মতো অসহায় মানুষের কথা যারা চিন্তা করেছেন, আল্লাহ তাদের মঙ্গল করুন। এই সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় উপকার।

 

পৌর বিএনপির ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর মোল্লা বলেন,বেগম খালেদা জিয়া আজীবন মানুষের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করেছেন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করেই বিএনপি সবসময় দুর্যোগ ও দুঃসময়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ায়। শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘব করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

 

তিনি আরও বলেন,আমরা মহান আল্লাহর কাছে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার জন্য দোয়া করছি।

 

শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এই মানবিক উদ্যোগের জন্য আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। স্থানীয় সচেতন মহলও বিএনপির এ মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসা করে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশাল জেলার সংসদীয় ছয়টি আসনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ও ১০ জনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে।

যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন এ তথ্য জানান।

মনোনয়ন বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিন শনিবার তিনটি আসনের মধ্যে চার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং আট প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনে তিনটি আসনে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং আরও দুইজনের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়।

মনোনয়ন বাইয়ের দ্বিতীয় দিন শনিবার বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে চারজনের মনোয়ন বৈধ ঘোষণা এবং একজন প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সোবাহান (বিএনপি বিদ্রোহ), বিএনপির জহির উদ্দিন স্বপন, জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী এবং ইসলামী আন্দোলনের রাসেল সরদার মেহেদীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী কামরুল ইসলাম খানের আয়করবিষয়ক সমস্যা থাকায় স্থগিত রাখা হয়েছে।

বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে চারজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বাতিল হয়েছে একজনের এবং স্থগিত হয়েছে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন। এ আসনে বাসদের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নেসার উদ্দিন, রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ এবং খেলাফত মসজিদের মুন্সী মোস্তাফিজুর রহমানের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনে জাসদের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের মনোনয়নপত্রে দলীয় অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে তা অবৈধ বা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মান্নান ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা না থাকায় স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া বিএনপির প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ (সান্টু)র আয়কর বিষয় সমস্যা থাকায় স্থগিত করা হয়েছে। প্রার্থী সাহেব আলীর হোল্ডিং ট্যাক্স বিষয় সমস্যার কারণে স্থগিত করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির এম এ জলিলের অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের আব্দুল হকের ৩শ টাকার স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে।
বরিশাল-৩ (মুলাদি-বাবুগঞ্জ) আসনের চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া বাতিল হয়েছে তিন প্রার্থীর মনোনয়ন, স্থগিত হয়েছে দুইজনের প্রার্থীতা। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের সিরাজুল ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন এবং এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ভূঁইয়ার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ আসনে জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপসের দলীয় প্রধানের অঙ্গীকারনামা এবং ৩শ টাকার স্টাম্পে অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির ফখরুল আহসানের দলীয় প্রধানের অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে তা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থী আব্দুস সাত্তার খানের অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপুর জেল হাজতে এবং দ্বৈত নাগরিকতা থাকার অভিযোগের কারণে মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বাসদ মনোনীত প্রার্থী আজিমুল হাসান জিহাদ ৩শ টাকার স্ট্যাম্পে দলীয় প্রধানের অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে।

এর আগের দিন শুক্রবার প্রাথমিক বাছাইয়ের প্রথম দিন বরিশাল জেলার তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাইয়ে ২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও দুই প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বাকি ১৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে এ তথ্য জানানো হয়। এর মধ্যে বরিশাল-৫ সদর আসনের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী একেএম মাহবুব আলম মনোনয়নপত্রের ২০ নম্বর পাতায় স্বাক্ষর করেনি এবং ২১ নম্বর পাতা পূরণ না করায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়। এ ছাড়া বরিশাল-৫ আসনো স্বতন্ত্র প্রার্থী তরিকুল ইসলাম ভোটার তালিকা ও প্রস্তাবক-সমর্থকদের তথ্য সঠিক না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে দুটি মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে হলফনামা নোটারির কাগজে স্বাক্ষর না থাকা এবং অঙ্গীকারনামায় অসংগতির কারণে বরিশাল-৫ আসনের বাসদ প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবর্তীর মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া আয়কর রিটার্ন সনদ না থাকা, ১০ (বি) ফরম সংযুক্ত না করা এবং ছবি সত্যায়িত না থাকায় বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের মুসলিম লীগ প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুসের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়। কাগজপত্র সংশোধন করে জমাদানের পর রোববার স্থগিত হওয়া মনোনয়নের বিষয়ে ফের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন দেবে বলে জানা গেছে।

বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন বলেন, যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা পুনরায় আপিল করতে পারবেন। আর যাদের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে তাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে রোববার (৪ জানুয়ারি) সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

খবর ডেস্ক :
বরিশালের ৬টি আসনের বিপরীতে ৪৮ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। দাখিলকৃত ৪৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ১০ জন প্রার্থী রয়েছেন।

দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রে সঙ্গে থাকা প্রার্থীর হলফনামা অনুযায়ী বরিশাল-৫ আসনে শুধু এনপিপির প্রার্থী স্বশিক্ষিত, আর বাকিরা সবাই কম-বেশি বিভিন্ন ডিগ্রি অর্জনের চেষ্টা করেছেন।

অপরদিকে হলফনামা অনুযায়ী, একাধিক প্রার্থী বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, যার মধ্যে কারও মামলা চলমান, কেউ আবার খালাস পেয়েছেন।

তবে সব থেকে বেশি মামলা রয়েছে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে। সর্বোচ্চ বাৎসরিক উপার্জনকারী বিএনপির এ প্রার্থীর তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রও রয়েছে।
এছাড়া বাৎসরিক আয়ের দিক থেকে একাধিক প্রার্থীর অবস্থান ভালো থাকলেও, সবচেয়ে বেশি স্বর্ণালংকার রয়েছে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর স্ত্রী।

বরিশাল-৫ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরোয়ার এলএলবি পাস ও পেশায় একজন ব্যবসায়ী (ব্যবসা, গৃহ, সম্পত্তি ও কৃষি)।

দায়ের হওয়া ১৪টি মামলা থেকে এরই মধ্যে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন, এছাড়া আরও ৯টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ প্রার্থীর বাৎসরিক আয় ৪০ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৯ টাকা। তিনি বর্তমানে ৫০ তোলা স্বর্ণসহ ৮ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার ৯৫৪ টাকার অস্থাবর এবং ৩ কোটি ৫৯ লাখ ১৯ হাজার ৫৬২ টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে দুটি রাইফেল ও একটি রিভালবার রয়েছে প্রার্থীর।

তবে তিনি হলফনামায় স্ত্রী, সন্তান কিংবা নির্ভরশীলদের আয়ের কথা উল্লেখ করেননি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম কামিল ফিকাহ (এমএ) পাস এবং পেশায় একজন শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে আগে তিনটি মামলা ছিল, তবে বর্তমানে কোনো মামলা নেই। এ প্রার্থীর বাৎসরিক আয় ১৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। তিনি বর্তমানে ২২ বোর একটি রাইফেল, ১০৬০ শতাংশ কৃষি জমি, ৩৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অকৃষি জমিসহ ৩৩ লাখ ১৩ হাজার ২২৩ টাকার অস্থাবর এবং বিপুল পরিমাণ কৃষি জমিসহ ৩ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার ১২৪ টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক।

হলফনামার তথ্যানুযায়ী, প্রার্থীর স্ত্রী মোসা. তাসলিমা আক্তারের ১৮৭ ভরি স্বর্ণসহ বর্তমানে ৩ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। যদিও ২০২৩ সালের সিটি নির্বাচনের হলফনামায় স্ত্রীর কোনো সম্পদের কথাই উল্লেখ করেননি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম। এমন প্রার্থীর নিজের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের হিসেবেও বেশ পরিবর্তন রয়েছে।

বাসদের মনীষা চক্রবর্তী এমবিবিএস পাস এবং পেশায় একজন চিকিৎসক। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি মামলা উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে, আর অন্য মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন। এ প্রার্থীর বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা। তিনি বর্তমানে ৫ ভরি স্বর্ণসহ ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩২ টাকার অস্থাবর সম্পদের মালিক হলেও স্থাবর কোনো সম্পদ নেই।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুয়াযযম হোসাইন হেলাল এলএলবি ডিগ্রিধারী ও পেশায় একজন আইনজীবী। এ প্রার্থীর বাৎসরিক আয় ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং তার ওপর নির্ভরশীলদের আয় ৪ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৪ টাকা। হলফনামায় তিনি স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের কথা উল্লেখ করলেও নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইটে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জাতীয় পার্টির আখতার রহমান এসএসসি পাস এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী (কমিশন এজেন্ট)। তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। ব্যবসা থেকে তার বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া তার ২০ লাখ ৬০ হাজার ২৭৫ টাকার এবং তার স্ত্রীর ৬ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এছাড়া প্রার্থীর একটি টিনশেড, দুইতলা দালান এবং এক ও যৌথ মালিকানায় কৃষি জমি রয়েছে।

এবি পার্টির মো. তারিকুল ইসলাম এলএলএম পাস এবং পেশায় একজন আইনজীবী। এ প্রার্থীর বাৎসরিক আয় ৭ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭০ টাকা। এছাড়া তার ১৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকার এবং তার স্ত্রীর উপহার পাওয়া ১০ ভরি স্বর্ণ ব্যতীতও দেড়লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এছাড়া প্রার্থীর ১৫ লাখ টাকার এবং তার স্ত্রী ফ্লোরা তানজিনের ৫ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ রয়েছে।

এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার স্বশিক্ষিত এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী। হলফনামায় দেওয়া তথ্যানুযায়ী তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই, সে সঙ্গে তিনি সর্বশেষ অর্থবছরে ৮৭ লাখ ৫৫ হাজার ৪৬৫ টাকার সম্পদ আয়কর রিটার্নে দেখিয়েছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তহিদুল ইসলাম এমবি ডিগ্রিধারী। হলফনামা অনুযায়ী তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসা থেকে তার বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া তার ১০ লাখ টাকার এবং তার স্ত্রীর ১২ লাখ ১০ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে ১০ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদও রয়েছে প্রার্থীর নিজের।

বাসদ মার্কসবাদী দলের প্রার্থী মো. সাইদুর রহমান এমএ এলএলবি পাস এবং পেশায় আগে কৃষক থাকলেও বর্তমানে শ্রমিক। যে হিসেবে তিনি প্রতিমাসে ২৫ হাজার টাকা আয় করেন। এছাড়া ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ এবং ৬ দশমিক ৫ শতাংশ অকৃষি জমি স্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে এ প্রার্থীর।

খেলাফত মজলিশের একেএম মাহবুব আলম স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবং পেশায় একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। বর্তমানে তার বাৎসরিক আয় ৫ লাখ ১৭ হাজার ৭০৪ টাকা। এছাড়া তার ২২ লাখ টাকার এবং তার স্ত্রীর উপহার পাওয়া ৮ ভরি স্বর্ণ অস্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে। এছাড়া যৌথ মালিকানায় থাকা ১০ একর কৃষিজমির এক তৃতীয়াংশ প্রার্থীর। যার বর্তমান মূল্য ৩৩ লাখ টাকা।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশালে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে বরিশাল-ঝালকাঠি সড়কে নগরীর রূপাতলী উকিলবাড়ি সড়কের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা জুয়েল ও নবগ্রাম রোডের রুইয়ার পোল এলাকার বাসিন্দা রাসেল। তারা দুজনে রূপাতলীতে এসিআই এনিমেল হেলথ্ স্টোরে হেলপার পদে কর্মরত ছিলেন।

বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি বলেন, ‘‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শনিবার দুপুরে দুজনের মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ঘটনার পরপরই ট্রাক রেখে চালক ও হেলপার পালিয়েছে। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মডেল থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।’’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহতদের সহকর্মী জিহাদ জানান, রাতে অফিসে ডিউটি শেষ করে জুয়েল ও রাসেল নাস্তা করতে মোটরসাইকেল যোগে রূপাতলী বাস টার্মিনালের উদ্দেশে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে উকিলবাড়ি সড়কের সামনে ঝালকাঠিগামী বেপরোয়া গতির মালবাহী ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাসেল প্রাণ হারান। এছাড়া জুয়েলকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।

খবর ডেস্ক :
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া।

আসনটিতে তাকে সমর্থন দিয়ে নিজেদের দল থেকে কোনো প্রার্থী দেয়নি জামায়াতে ইসলামী। ধারনা করা হচ্ছে সবকিছু ঠিক থাকলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হতে পারেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা আসাদুজ্জামান ফুয়াদের হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আইন ব্যবসা, টকশো এবং ফেসবুক, ইউটিউব থেকে তিনি বছরে আয় করেন ৭ লাখ ৪১ হাজার ৬০২ টাকা।

এরমধ্যে আইনজীবী হিসেবে চেম্বার থেকে বছরে সম্মানী পান ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। এছাড়া বাকি ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা তিনি আয় করেন টিভি টকশো এবং ইউটিউব ফেসবুক থেকে।

ফুয়াদের নিজের নগদ দুই লাখ টাকা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার অস্থাবর সম্পদ আছে ৭ লাখ টাকার। এছাড়া তার স্ত্রী রুমা মারজানের ৫০ হাজার এবং ব্যাংকে ১৮ হাজার টাকাসহ অস্থাবর সম্পদের রয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার টাকার।

তবে স্থাবর সম্পদ বিবরণীতে নিজের এবং স্ত্রীর উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পদ থাকলে তা তাদের নামে এখনো বণ্টন হয়নি বলে উল্লেখ করেছেন হলফনামায়।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেছেন, মাদুরো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে রয়েছেন এবং তার আটক হওয়ার পর ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে আর কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) রুবিওর সঙ্গে ফোনালাপের পর এ তথ্য নিশ্চিত করেন মার্কিন সিনেটর মাইক লি। তিনি বলেন, মাদুরো মার্কিন হেফাজতে থাকায় ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

খবরটি নিশ্চিত করেছে বিবিসি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিনেটর মাইক লি লেখেন, আমি জানতে আগ্রহী যে, যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন ছাড়াই এই পদক্ষেপ সাংবিধানিকভাবে কীভাবে ন্যায্যতা পায়।

এর আগে শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১টা ৫০ মিনিটের দিকে ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক মানুষ নিরাপত্তার আশঙ্কায় রাস্তায় বেরিয়ে আসে।

সিএনএনের সাংবাদিক ওসমারি হার্নান্দেজ জানান, একটি বিস্ফোরণ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তার বাসার জানালার কাঁচ কেঁপে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজধানী কারাকাসে বিকট শব্দের পাশাপাশি যুদ্ধবিমানের শব্দও শোনা গেছে। একই সময় আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শহরের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি বড় সামরিক ঘাঁটির আশপাশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাতের আলোঝলমলে শহরের আকাশে একাধিক ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে এবং কিছু এলাকায় আলোর ঝলকানির পরপরই বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে।
সিবিএস নিউজ জানায়, কারাকাসে বিস্ফোরণের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবগত ছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই ভেনেজুয়েলার সামরিক স্থাপনাসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দেন।

ভেনেজুয়েলা সরকার জানিয়েছে, রাজধানী কারাকাস ছাড়াও মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা রাজ্যে হামলা চালানো হয়েছে। এসব ঘটনার পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো।

এ ঘটনার কিছু সময় পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট আটক হয়েছেন বলে ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ‘লার্জ স্কেল স্ট্রাইক’ বা ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। অভিযানের সময় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশটির বাইরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিএনপির চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বরিশাল নগরীসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নগরীর বিভিন্ন মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের অংশগ্রহণে এ দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। একই কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের মসজিদগুলোতেও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

বরিশাল নগরীর চাঁমারী জামে মসজিদে আয়োজিত দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোঃ মজিবর রহমান সরওয়ার। এসময় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত, কবরের শান্তি ও জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া দেশ ও জাতির শান্তি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য দোয়া করা হয়।

এদিকে বিকেলে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নগরীর সদর রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আরেকটি দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

খবর ডেস্ক :

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করা পটুয়াখালীর নিরব হোসেনের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের স্কুল মাঠে নিহত নিরব হোসেনের জানাজার শেষে এ ঘোষণা দেন বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান।

জানাজার পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, নিরব হোসেনের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর শুনে তারেক রহমান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং ফোন করে নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

এ সময় পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, পটুয়াখালী-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদার, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ উপজেলা বিএনপি ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিহত নিরব হোসেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পরিবারসহ একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। তিনি দুই সন্তানের জনক। তার মেয়ে নাফিজা জাহান নওরিন (১৪) নবম শ্রেণিতে এবং ছেলে তাহসিন আল নাহিয়ান (১৫) দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিরব হোসেন বিএনপির রাজনীতিকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন এবং দলের একজন সক্রিয় সমর্থক ছিলেন। গত বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে ফেরার পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে পদদলিত হন। পরে উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।