নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের পক্ষে গণসংযোগ ও ভোট প্রার্থনা করেছেন বরিশাল মহানগর যুবদলের সাধারন সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন।

আজ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল নগরীর কাউনিয়া ও এর আশপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালান তিনি। এ সময় সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে মজিবর রহমান সরোয়ারকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান মাসুদ হাসান মামুন।

প্রচারণাকালে তার সঙ্গে যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা লিফলেট বিতরণ, স্লোগান ও গণসংযোগের মাধ্যমে এলাকার জনগণের কাছে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দেন।

এ সময় মাসুদ হাসান মামুন বলেন, “দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মানুষের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। মজিবর রহমান সরওয়ার একজন পরীক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা।

তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারই পারে দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নকে টেকসই করতে। তাই ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রচারণা চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় এবং সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টারসহ প্রভাবশালী ৬ বিএনপি নেতা ও তাদের শতাধিক কর্মি সমর্থকরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামে যোগদান করেছেন।

শুক্রবার বিকেল ৪ টায় উপজেলার বাইশারী বাজার সংলগ্ন নূরানী ক্যাডেট মাদ্রাসার সামনে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) সংসদীয় আসনের জামাত মনোনীত প্রাথী ও বরিশাল জেলা জামাতের নায়েবে আমীর আব্দুল মান্নান মাস্টার আয়োজিত উঠান বৈঠকে যোগদান করেন তারা।

জামাতে যোগদান করা অন্যান্য নেতারা হলেন, বানারীপাড়া পৌর কৃষকদলের আহবায়ক মো : গফ্ফার হোসেন, পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মো : সিদ্দিক মল্লিক, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর তালুকদার, ইলুহার বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. নুরুজ্জামান, , উদয়কাঠী ইউনিয়রন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাঞ্চন তালুকদার, বিশারকান্দি ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুস সালামসহ ২ শতাধিক নেতাকর্মি।

সূত্র জানায় বরিশাল (দক্ষিন) জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার ও তার সমর্থকদের সাথে বরিশাল-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস সরফুদ্দীন আহম্মেদ সান্টুর মতবিরোধ ছিলো।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এস সরফুদ্দীন আহম্মেদ সান্টু এক বারের জন্যও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টারসহ অন্যন্যদের ডাকেন নি। এমনকি স্ব উদ্যোগে তারা কাজ করতে চাইলেও তাদের নিরুৎসাহিত করেন সান্টু।

এ কারনে বিএনপির এসব নেতারা সান্টুর উপর চরম ক্ষুব্ধ হয়েউপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার এবং পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক আ. গাফফার হোসেন বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) জেলা আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে মাহবুব মাস্টার জানান, চার দশক নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেও লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি।

তিনি বলেন, দলে এখন টাকায় মনোনয়ন বিক্রি হয় এবং নেতাদের কাছে কর্মীরা প্রতারিত হচ্ছে। যে কারনে দলের ত্যাগী নেতারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

’মাহবুব মাস্টার জানান, তিনি দলের কাছে নিগৃহিত হয়েই শুক্রবার বিকাল ৪ টায় উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর একটি উঠান বৈঠকে তিনিসহ তার বিশাল অনুসারীসহ জামায়াতে যোগদান করেছেন।

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহীন জানান, পদত্যাগের কথা শুনেছেন তবে জামাতে যোগদান করেছেন এ কথা তার জানা নেই। তিনি বলেন, মাহবুব মাস্টারের অভিমান ভাঙিয়ে তাঁকে দলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ারের পক্ষে নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনের হাট এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন খান, আল আমিন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ফরিদ উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব হোসেন, মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি সেলিনা বেগমসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ারের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয়ের বিকল্প নেই। “দীর্ঘদিন পর মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থী তারেক রহমানের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ারকে নির্বাচিত করবেন। ধানের শীষই মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বিপুল ভোটে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ারকে বিজয়ী করে আমরা চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার দেব। আসন্ন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উঠান বৈঠকে এলাকার বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

শাহিন সুমন :

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল বিভাগীয় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে। এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি তার বরিশাল আগমনের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়।

 

দীর্ঘ প্রায় ২১ বছর পর বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমানকে কাছে পেতে যাচ্ছে বরিশালবাসী। এ উপলক্ষে বরিশাল বিভাগজুড়ে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। জেলা ও মহানগর বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে শুরু করেছে জোর প্রস্তুতি।

 

বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার উপস্থিতিকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কড়া নজরদারির কথা জানানো হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, বর্তমান বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২০০৫ সালের শুরুর দিকে দেশের বিভিন্ন বিভাগে তৃণমূল সম্মেলন শুরু করেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ নেতাকর্মীদের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে শক্তিশালী করাই ছিল ওই সফরের মূল লক্ষ্য। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০০৫ সালের ১৪ মার্চ বরিশাল বিভাগে তৃণমূল সম্মেলনে অংশ নিয়ে সরাসরি নেতাকর্মীদের মতামত গ্রহণ করেন।

 

বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন শিকদার বলেন, “দীর্ঘ ২১ বছর পর তারেক রহমান বরিশাল সফরে আসছেন। তবে এবারের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। দলের প্রধান হিসেবে এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

 

তিনি আরও জানান, এই সফরকে সফল করতে প্রস্তুতি সভা, কর্মীসভাসহ ধারাবাহিক বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলটির নেতৃবৃন্দ। তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মাঝে ইতোমধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। এখনো কিছুদিন সময় থাকলেও নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সভাস্থলের ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। দলীয় নেতারা আশা করছেন, তার এই সফর আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

 

এদিকে, বরিশাল বিভাগে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরাও সমাবেশকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ ও প্রস্তুতি জোরদার করেছেন। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারের পক্ষে গণসংযোগ ও ভোট প্রার্থনা করেছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারন সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা ও এর আশপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালান তিনি। এ সময় সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে মজিবর রহমান সরওয়ারকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান মাসুদ হাসান মামুন।

প্রচারণাকালে তার সঙ্গে যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা লিফলেট বিতরণ, স্লোগান ও গণসংযোগের মাধ্যমে এলাকার জনগণের কাছে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দেন।

এ সময় মাসুদ হাসান মামুন বলেন, “দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মানুষের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। মজিবর রহমান সরওয়ার একজন পরীক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা।

তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারই পারে দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নকে টেকসই করতে। তাই ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রচারণা চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় এবং সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাসুদ ইকবাল বলেছেন, বরিশাল একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল । কৃষি, শিল্প, জ্বালানী, পর্যটন ও রপ্তানীমুখি শিল্পে সব ক্ষেত্রে এখানে বিপুল সম্ভাবনা আছে। সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি এই অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও উদ্যোগতাদের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় ব্যবসার সিমাবদ্ধ গন্ডি থেকে বের হয়ে আন্তর্জাতিক বানিজ্যের জন্য মানুষিক আর্থিক এবং লজিস্টিক প্রস্তুতি এখনই নিতে হবে। আমরা যেই ধরনের ব্যবসায় অভস্ত সেই ধরনের ব্যবসাটাকে আরও একটু বড় পরিসরে চিন্তা করতে হবে আন্তর্জাতিক বানিজ্য যদি আমরা এখান থেকে করতে চাই।

“অতন্দ্র প্রহরীর মতো দেশের সুরক্ষায় কাস্টমস” এই প্রতিপাদ্যে বরিশালে উদযাপিত হয়েছে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস ২০২৬।

আজ বুধবার সকাল ১১টায় নগরীর হোটেল গ্র্যান্ড পার্কের সাউথ গেট কনফারেন্স হলে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, বরিশাল-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করে অতৃথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাসুদ ইকবাল, এনপিপি, এনডিসি, পিএসসি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কমিশনার অরুণ কুমার বিশ্বাস ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল কর অঞ্চলের কর কমিশনার শেখ শামীম বুলবুল, বরিশাল আরআরএফ কমান্ড্যান্ট (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) আব্দুস সালাম, বরিশাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলাউল হাসান ও বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি এবায়দুল হক চাঁদ।

বক্তারা আরও বলেন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর কাস্টমস ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও আন্তঃসংস্থার সমন্বয় অপরিহার্য। এতে করে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ আরও গতিশীল হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ধানের শীষের প্রার্থী মুজিবর রহমান সরোয়ারের পক্ষে প্রচারণায় নেমেছেন বরিশাল নগরীর কলেজ রো এলাকার বাসিন্দারা।

সম্প্রতি কলেজ রো এলাকায় আয়োজিত গণসংযোগ ও ক্যাম্পেইনে অংশ নেন কলেজ রো মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদিউজ্জামান, সহ-সভাপতি মো. সেলিম, পলিটেকনিকের সাবেক অধ্যক্ষ দিদারুল আলম, যুবদল নেতা কাইয়ুম রেজওয়ান সাগর, সমাজসেবক রেজওয়ান বাবু, ড্যাব সদস্য ডা. রেজওয়ান রেজাসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এ সময় এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধানের শীষের পক্ষে অংশগ্রহণ করে প্রার্থীর প্রতি তাদের সমর্থন জানান।

কলেজ রো নিবাসী মার্গারেট তুলু সাহা বলেন, “দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় আমরা সবাই উদ্বেলিত। জনগণের ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

প্রচারকালে বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয়ের বিকল্প নেই। তারা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।

মোঃএমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর :
“বরিশাল-২ আসন (উজিরপুর-বানারীপাড়া) উপজেলা বিএনপির দুর্গ” ইনশাআল্লাহ ধানের শীষ প্রতীকের নিশ্চিত বিজয় হবে।

এছাড়া বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমান এর হাতকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রচার প্রচারণা করতে হবে,উজিরপুর পৌরসভায় ও শিকারপুর ইউনিয়নে গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ২৭ জানুয়ারি বিকেলে উজিরপুর পৌরসভার বাজার, শিকারপুর ও জয়শ্রী বাজার ব্ন্দর সহ বিভিন্ন স্থানে প্রচার প্রচারণা ও গণসংযোগ করেন তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন- সাধারণ সম্পাদক সরদার সিদ্দিকুর রহমান, সহ-সভাপতি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, পৌর সাধারণ সম্পাদক মোঃ রোকনুজ্জামান টুলু, শিকারপুর ইউনিয়ন বিএপির সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন, পৌর সহ-সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম,মোঃ রাজ্জাক সরদার,ফারুক হাওলাদার, মোঃ গিয়াস উদ্দিন আকন, মামুন সিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা জামান সুমন বালী,উপজেলা যুবদলের সভাপতি ও বিএনপির মিডিয়া ম্যানেজার আ ফ ম সামসুদ্দোহা আজাদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ মাহাবুব গোমস্তা,পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ শাহাবুদ্দিন আকন সাবু,সদস্য সচিব মোঃ হাফিজুর রহমান প্রিন্স, উপজেলা যুব দলের নেতা মোঃ রুহুল কুদ্দুস, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ জিয়া আমিন রাড়ী,সাধারণ সম্পাদক ও উজিরপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাদুৎ সরদার কমরেড,উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ সোলায়মান হোসেন হাইয়ুম খান,বরিশাল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাফাউল সরদার সম্রাটসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী।

খবর ডেস্ক :
আসন্ন ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ২১টি নির্বাচনি এলাকায় ৫১ শতাংশ ভোটকেন্দ্র এবার ঝুঁকি বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ এবং অতিগুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়েছে।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পক্ষ-প্রতিপক্ষের হিংসা বা প্রতিহিংসার কারণে নয়, বরং সুবিধাবঞ্চিত দুর্গম এলাকার কারণে এসব কেন্দ্রকে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে সাজানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের বরিশাল অফিস থেকে জানানো হয়েছে, বিভাগের মোট দুই হাজার ৭৩৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬২১টি অতি-গুরুত্বপূর্ণ আর ৮২৭টি গুরুত্বপূর্ণ।

সরেজমিনে বরিশাল নগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ড শহরতলী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, এখানকার দিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত। এখানে যাতায়াতসহ সব সুবিধা থাকলেও স্কুলটির মূল ভবনটিই ঝুঁকিপূর্ণ। ইতোমধ্যে তিনটি কক্ষকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। কীভাবে এখানে ভোট গ্রহণ করা হবে তা নিয়ে চিন্তিত খোদ শিক্ষকরাই।

এ বিষয়ে কথা হয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আফসানা মুন্নির সঙ্গে। তিনি জানান, আমাদের স্কুলটি অনেক আগে থেকে ভোট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্কুলের ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ একথা আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ভোটের সময় যদি বৃষ্টি বা প্রতিকূল অবস্থার সৃষ্টি হয় তাহলে কী হবে তা জানি না। এছাড়া আমাদের জেনারেটর ও সিসি ক্যামেরা নেই।

এদিকে, জেলার নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনকারীরা রয়েছেন আরও বিপাকে। তারা জানান, ইতোমধ্যে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকেই মেহেন্দিগঞ্জ, হিজলা, মুলাদীসহ বরিশাল বিভাগের ১৩টি উপজেলাকে দুর্গম উপজেলা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এসব উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভোট কেন্দ্রকে যাতায়াতেই হিমশিম খেতে হয় পোলিং কর্মকর্তাদের।

বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষকরা জানান, আমরা বিগত দিনে ভোট গ্রহণের জন্য অনেক কেন্দ্রে গিয়েছি। অনেক দুর্গম এলাকায় আমাদের দায়িত্ব ছিল। নারী হবার কারণে সেখানে রাত্রিযাপন করা সম্ভব হয়নি। ভোর রাতে রওনা দিতে হয়েছে। অনেক বেগ পোহাতে হয়েছে। তবে এখনকার কেন্দ্রগুলো আপডেট হওয়া উচিত। শুনেছি কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা দেওয়া হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এসব ক্যামেরা সচল রাখতে বিদ্যুৎ নির্ভর হলে চলবেনা, জেনারেটরও রাখতে হবে।

এসব বিষয়ের সঙ্গে একমত পুলিশ প্রশাসনও। পুলিশ পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্গম এলাকায় নিরাপত্তা বাড়িয়ে এসব কেন্দ্রকে সহজতর করা হচ্ছে।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আসলে একটা ভুল বোঝাবুঝি আছে। গুরুত্বপূর্ণ, অতি-গুরুত্বপূর্ণসহ তিন ভাগে ভোট কেন্দ্র সাজানো হয়েছে।

তিনি বলেন, বরিশালের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন কারণে অতি-গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রের অবস্থান, নদী ভাঙন কিংবা চর এলাকায় হলে তাকে গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়েছে। ঘনবসতি এলাকাকেও আমরা গুরুত্বের তালিকায় নিয়ে এসেছি। গুরুত্বপূর্ণ কিংবা অতি-গুরুত্বপূর্ণের ক্ষেত্রে আসলে সেখানে ত্রাস বা সন্ত্রাস হবে এমন কোনো বিষয় নেই।

সূত্র : সময়ের আলো

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।

সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।

গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।

এরপূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।

এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।

এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।

যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।

উল্লেখ্য- অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।