নিজস্ব প্রতিবেদক :

বরিশাল আদালত পাড়ায় গিয়ে অবসরপ্রাপ্ত এক প্রকল্প পরিচালকের কাছে চাঁদা দাবি ও অপহরণের হুমকি দেয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলো- হাতেম আলী কলেজ শিক্ষার্থী মো. নাঈম ও বিএম কলেজ শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম।

আদালত সূত্র জানায়, এলজিইডির অবসরপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালক নগরীর করিম কুঠির লাতু চৌধুরী সড়কের বাসিন্দা আব্দুল হাই আদালত পাড়ায় আসেন। এ সময় শিক্ষার্থী নাঈম ও কামরুল ইসলাম তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা ও পাঁচটি মোটরসাইকেল দাবি করে। দাবি পূরন না করলে আদালত পাড়া থেকে বের হলে তাকে অপহরণ করার হুমকি দেয়। তখন ওই কর্মকর্তা আদালত পাড়ার পুলিশ সদস্যদের কাছে অবহিত করে। বিষয়টি জানতে পেরে অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট এসএম শরিয়তুল্লাহ তিনজনকে ডেকে নিয়ে যান। পরবর্তীতে পুলিশ খবর দিয়ে নাঈম ও কামরুলকে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, আদালতে দুইজনকে ধরে বিচারক কারাগারে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মো. সাব্বির হোসেন বলেন, আমাদের দুই ভাইকে আটক করা হয়েছে। তাদের কি কারণে আটক করা হয়েছে বিষয়টি জানতে থানায় এসেছিলাম। কিন্তু তারা থানায় নেই। তাই চলে এসেছি।

খবর ডেস্ক :
ফ্যামিলি কার্ড প্রদর্শন করলে নারীরা বিনা সুদে ঋণ পাবেন, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার তুলে ধরে তিনি জানান, নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে কুটির শিল্প, হাঁস–মুরগি পালন অথবা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার জন্য ব্যাংক থেকে বিনা সুদে ঋণ পাওয়া যাবে। তার দাবি, এই প্রক্রিয়ায় কোনো দালাল বা অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন হবে না।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের মানিককাঠী এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেন, ২০১৮ সালের মতো এবার ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা বা ভোট ছিনতাইয়ের ঝুঁকি নেই। জনগণ আরও সচেতন হয়েছে, তাই ভোটাধিকার সুরক্ষিত থাকবে।

শিক্ষা বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিতে গিয়ে জয়নুল আবেদীন বলেন, ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করলে এবং বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে স্থানীয় এলাকার সব বোনদের শিক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে। তারা যেই স্তর পর্যন্ত পড়তে চাইবে, সেই পর্যায়ের ব্যয় সরকার বহন করবে। এমন পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

তিনি আরও জানান, কৃষকদের সহায়তায় বিএনপি ‘কৃষি কার্ড’ ব্যবস্থা প্রস্তাব করেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা বিনামূল্যে সার, বীজ ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ পাবেন। বর্তমানে এসব উপকরণ নিতে কৃষি অফিসে ঘুষ বা দালালির অভিযোগ থাকলেও নতুন কার্ডভিত্তিক ব্যবস্থায় এসব অনিয়ম কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান দেশের কৃষক ও নারীদের কথা বিবেচনা করে কার্ডভিত্তিক এসব সেবা প্রস্তাব করেছেন। এতে দুর্নীতি কমবে, সুবিধাভোগীরা সরাসরি উপকৃত হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।

জয়নুল আবেদীনের এসব প্রতিশ্রুতি ঘিরে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এসময় নির্বাচনী সভায় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ১নং সহ সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মনিরুল আসাদ, জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহম্মেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, জেলা বিএনপির সদস্য ইশরত হোসেন কচি তালুকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

খবর ডেস্ক :
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
দীর্ঘ ২০ বছর পর বরিশালে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী সফরে বরিশালে আসার মধ্য দিয়ে তিনি দক্ষিণাঞ্চলের মাটি স্পর্শ করতে যাচ্ছেন। তার আগমন ঘিরে এরইমধ্যে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে বিএনপির রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। সেই সঙ্গে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের উম্মাদনা বইতে শুরু করেছে।

এদিকে বিএনপির দলীয় এই প্রধানের সফরের ঠিক এক দিন পর, ৬ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সফর করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। যদিও এর আগে ৫ ফেব্রুয়ারি বরিশালে নির্বাচনী জনসভায় আসছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির (চরমোনাই পীর) সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। তিন দলের তিন প্রধানের আগমন ঘিরে বরিশালে এখন স্ব-স্ব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

দলীয় সূত্রগুলো বলেছে, ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালের ঐতিহ্যবাহী বেলস পার্ক মাঠে বিভাগীয় জনসভায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।

সবশেষ তিনি ২০০৬ সালে বরিশালে এসেছিলেন। এদিকে জামায়াত আমির ৬ ফেব্রুয়ারি বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ৫ ফেব্রুয়ারি বরিশাল নগরের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগা ময়দানে জনসভা করবেন।
বিএনপির চেয়ারম্যানের বরিশাল আগমন প্রসঙ্গে গত বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) বিলকিস জাহান শিরীন জানান, দলীয় চেয়ারম্যান ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টায় বরিশালে আসবেন।

বেলস পার্কে তিনি নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
বিলকিস জাহান বলেন, ‘বিমানে নেতা আসবেন। আমরা তাকে বরণে প্রস্তুত রয়েছি।’

মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন শিকদার বলেন, সমাবেশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তাদের ধারণা তারেক রহমানের জনসমাবেশ বেলস পার্ক ছাপিয়ে যাবে।

বরিশাল বিএনপির ঘাঁটি। কাজেই ২০ বছর পর নেতাকে দেখতে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হবে।
এদিকে ৬ ফেব্রুয়ারি জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের মেহেন্দীগঞ্জ সফর নিয়েও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি। এই সমাবেশে দুই লাখের বেশি মানুষের সমাগম ঘটানোর লক্ষ্য জামায়াতের।

জামায়াতের বরিশাল জেলার নায়েবে আমির ড. মাহফুজুর রহমান বলেন, আমির ডা. শফিকুর রহমান সকাল ৯টার পর মেহেন্দীগঞ্জের আরসি কলেজ মাঠে ভাষণ দেবেন। তিনি হেলিকপ্টারে সেখানে আসবেন। তার নির্বাচনী জনসভায় দুই লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হতে পারে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ৫ ফেব্রুয়ারির সমাবেশ প্রসঙ্গে দলটির মহানগর সহকারী সেক্রেটারি এবং বরিশাল-৫ আসনের দলীয় প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, আমিরের বরিশালের জনসভার প্রধান টার্গেট সদর আসন। কারণ এটি তার বাড়ি। এই আসনে জয়লাভ করতে তারা সর্বশক্তি প্রদর্শন করবেন। এ জন্য বরিশাল-৫ আসনে প্রার্থী হয়েছেন আমিরের ভাই সৈয়দ ফয়জুল করীম।

সূত্র : বাংলানিউজ২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের পক্ষে গণসংযোগ ও ভোট প্রার্থনা করেছেন বরিশাল মহানগর যুবদলের সাধারন সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন।

আজ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল নগরীর কাউনিয়া ও এর আশপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালান তিনি। এ সময় সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে মজিবর রহমান সরোয়ারকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান মাসুদ হাসান মামুন।

প্রচারণাকালে তার সঙ্গে যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা লিফলেট বিতরণ, স্লোগান ও গণসংযোগের মাধ্যমে এলাকার জনগণের কাছে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দেন।

এ সময় মাসুদ হাসান মামুন বলেন, “দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মানুষের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। মজিবর রহমান সরওয়ার একজন পরীক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা।

তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারই পারে দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নকে টেকসই করতে। তাই ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রচারণা চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় এবং সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টারসহ প্রভাবশালী ৬ বিএনপি নেতা ও তাদের শতাধিক কর্মি সমর্থকরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামে যোগদান করেছেন।

শুক্রবার বিকেল ৪ টায় উপজেলার বাইশারী বাজার সংলগ্ন নূরানী ক্যাডেট মাদ্রাসার সামনে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) সংসদীয় আসনের জামাত মনোনীত প্রাথী ও বরিশাল জেলা জামাতের নায়েবে আমীর আব্দুল মান্নান মাস্টার আয়োজিত উঠান বৈঠকে যোগদান করেন তারা।

জামাতে যোগদান করা অন্যান্য নেতারা হলেন, বানারীপাড়া পৌর কৃষকদলের আহবায়ক মো : গফ্ফার হোসেন, পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি মো : সিদ্দিক মল্লিক, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাফর তালুকদার, ইলুহার বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. নুরুজ্জামান, , উদয়কাঠী ইউনিয়রন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাঞ্চন তালুকদার, বিশারকান্দি ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুস সালামসহ ২ শতাধিক নেতাকর্মি।

সূত্র জানায় বরিশাল (দক্ষিন) জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য ও বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার ও তার সমর্থকদের সাথে বরিশাল-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস সরফুদ্দীন আহম্মেদ সান্টুর মতবিরোধ ছিলো।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এস সরফুদ্দীন আহম্মেদ সান্টু এক বারের জন্যও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারন সম্পাদক গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টারসহ অন্যন্যদের ডাকেন নি। এমনকি স্ব উদ্যোগে তারা কাজ করতে চাইলেও তাদের নিরুৎসাহিত করেন সান্টু।

এ কারনে বিএনপির এসব নেতারা সান্টুর উপর চরম ক্ষুব্ধ হয়েউপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম মাহমুদ মাহবুব মাস্টার এবং পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক আ. গাফফার হোসেন বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) জেলা আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে মাহবুব মাস্টার জানান, চার দশক নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেও লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি।

তিনি বলেন, দলে এখন টাকায় মনোনয়ন বিক্রি হয় এবং নেতাদের কাছে কর্মীরা প্রতারিত হচ্ছে। যে কারনে দলের ত্যাগী নেতারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

’মাহবুব মাস্টার জানান, তিনি দলের কাছে নিগৃহিত হয়েই শুক্রবার বিকাল ৪ টায় উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর একটি উঠান বৈঠকে তিনিসহ তার বিশাল অনুসারীসহ জামায়াতে যোগদান করেছেন।

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহীন জানান, পদত্যাগের কথা শুনেছেন তবে জামাতে যোগদান করেছেন এ কথা তার জানা নেই। তিনি বলেন, মাহবুব মাস্টারের অভিমান ভাঙিয়ে তাঁকে দলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ারের পক্ষে নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুনের হাট এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার।

এ সময় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন খান, আল আমিন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ফরিদ উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব হোসেন, মহিলা দলের সাবেক সহ-সভাপতি সেলিনা বেগমসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ারের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয়ের বিকল্প নেই। “দীর্ঘদিন পর মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থী তারেক রহমানের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ারকে নির্বাচিত করবেন। ধানের শীষই মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। বিপুল ভোটে অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ারকে বিজয়ী করে আমরা চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার দেব। আসন্ন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উঠান বৈঠকে এলাকার বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

শাহিন সুমন :

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল বিভাগীয় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে। এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি তার বরিশাল আগমনের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও পরবর্তীতে সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়।

 

দীর্ঘ প্রায় ২১ বছর পর বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমানকে কাছে পেতে যাচ্ছে বরিশালবাসী। এ উপলক্ষে বরিশাল বিভাগজুড়ে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। জেলা ও মহানগর বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে শুরু করেছে জোর প্রস্তুতি।

 

বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার উপস্থিতিকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কড়া নজরদারির কথা জানানো হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, বর্তমান বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২০০৫ সালের শুরুর দিকে দেশের বিভিন্ন বিভাগে তৃণমূল সম্মেলন শুরু করেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ নেতাকর্মীদের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে শক্তিশালী করাই ছিল ওই সফরের মূল লক্ষ্য। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০০৫ সালের ১৪ মার্চ বরিশাল বিভাগে তৃণমূল সম্মেলনে অংশ নিয়ে সরাসরি নেতাকর্মীদের মতামত গ্রহণ করেন।

 

বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন শিকদার বলেন, “দীর্ঘ ২১ বছর পর তারেক রহমান বরিশাল সফরে আসছেন। তবে এবারের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। দলের প্রধান হিসেবে এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

 

তিনি আরও জানান, এই সফরকে সফল করতে প্রস্তুতি সভা, কর্মীসভাসহ ধারাবাহিক বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলটির নেতৃবৃন্দ। তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মাঝে ইতোমধ্যে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে। এখনো কিছুদিন সময় থাকলেও নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সভাস্থলের ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। দলীয় নেতারা আশা করছেন, তার এই সফর আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

 

এদিকে, বরিশাল বিভাগে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরাও সমাবেশকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ ও প্রস্তুতি জোরদার করেছেন। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারের পক্ষে গণসংযোগ ও ভোট প্রার্থনা করেছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারন সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকা ও এর আশপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধারাবাহিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালান তিনি। এ সময় সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে মজিবর রহমান সরওয়ারকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান মাসুদ হাসান মামুন।

প্রচারণাকালে তার সঙ্গে যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা লিফলেট বিতরণ, স্লোগান ও গণসংযোগের মাধ্যমে এলাকার জনগণের কাছে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দেন।

এ সময় মাসুদ হাসান মামুন বলেন, “দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মানুষের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। মজিবর রহমান সরওয়ার একজন পরীক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা।

তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারই পারে দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নকে টেকসই করতে। তাই ভয়ভীতি উপেক্ষা করে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রচারণা চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয় এবং সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাসুদ ইকবাল বলেছেন, বরিশাল একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল । কৃষি, শিল্প, জ্বালানী, পর্যটন ও রপ্তানীমুখি শিল্পে সব ক্ষেত্রে এখানে বিপুল সম্ভাবনা আছে। সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি এই অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও উদ্যোগতাদের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় ব্যবসার সিমাবদ্ধ গন্ডি থেকে বের হয়ে আন্তর্জাতিক বানিজ্যের জন্য মানুষিক আর্থিক এবং লজিস্টিক প্রস্তুতি এখনই নিতে হবে। আমরা যেই ধরনের ব্যবসায় অভস্ত সেই ধরনের ব্যবসাটাকে আরও একটু বড় পরিসরে চিন্তা করতে হবে আন্তর্জাতিক বানিজ্য যদি আমরা এখান থেকে করতে চাই।

“অতন্দ্র প্রহরীর মতো দেশের সুরক্ষায় কাস্টমস” এই প্রতিপাদ্যে বরিশালে উদযাপিত হয়েছে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস ২০২৬।

আজ বুধবার সকাল ১১টায় নগরীর হোটেল গ্র্যান্ড পার্কের সাউথ গেট কনফারেন্স হলে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, বরিশাল-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করে অতৃথিবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাসুদ ইকবাল, এনপিপি, এনডিসি, পিএসসি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কমিশনার অরুণ কুমার বিশ্বাস ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল কর অঞ্চলের কর কমিশনার শেখ শামীম বুলবুল, বরিশাল আরআরএফ কমান্ড্যান্ট (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) আব্দুস সালাম, বরিশাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলাউল হাসান ও বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি এবায়দুল হক চাঁদ।

বক্তারা আরও বলেন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর কাস্টমস ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দক্ষতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও আন্তঃসংস্থার সমন্বয় অপরিহার্য। এতে করে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ আরও গতিশীল হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ধানের শীষের প্রার্থী মুজিবর রহমান সরোয়ারের পক্ষে প্রচারণায় নেমেছেন বরিশাল নগরীর কলেজ রো এলাকার বাসিন্দারা।

সম্প্রতি কলেজ রো এলাকায় আয়োজিত গণসংযোগ ও ক্যাম্পেইনে অংশ নেন কলেজ রো মসজিদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদিউজ্জামান, সহ-সভাপতি মো. সেলিম, পলিটেকনিকের সাবেক অধ্যক্ষ দিদারুল আলম, যুবদল নেতা কাইয়ুম রেজওয়ান সাগর, সমাজসেবক রেজওয়ান বাবু, ড্যাব সদস্য ডা. রেজওয়ান রেজাসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এ সময় এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধানের শীষের পক্ষে অংশগ্রহণ করে প্রার্থীর প্রতি তাদের সমর্থন জানান।

কলেজ রো নিবাসী মার্গারেট তুলু সাহা বলেন, “দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় আমরা সবাই উদ্বেলিত। জনগণের ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

প্রচারকালে বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে ধানের শীষের প্রার্থীর বিজয়ের বিকল্প নেই। তারা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।