চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন জাতের আম ‘ইলামতি’ - বরিশালের খবর-Barishaler Khobor

বাংলাদেশ, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রোববার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন জাতের আম ‘ইলামতি’ - বরিশালের খবর-Barishaler Khobor

শুক্রবার সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার না থাকার পক্ষে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের সাফাই বরিশালে করোনায় ১৮ মাসে ১৩৭৯ জন রোগীর মৃত্যু ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের অর্ধেকেরও বেশী মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে : স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব নিউইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে শেখ হাসিনা টাকা দিয়ে মানুষের মন কেনা যায় না : আইজিপি দাম কমেছে চাল-চিনির শেবাচিমে শুক্রবার ইনডোর ওয়ার্ডে ডাক্তার থাকে না বাইরে দুই বেলা প্রাইভেট প্রাকটিস প্রবল বেগে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’ এখনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো কোনো পরিস্থিতি হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী আমরা এখন ভয়াবহ দুঃসময় অতিক্রম করছি : ফখরুল


চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন জাতের আম ‘ইলামতি’

প্রকাশ: ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৯:২২ : অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক : আমের রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের সন্ধান পাওয়া গেছে আরেকটি নাবি জাতের আমের। গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালায় এ আমের উৎপত্তি। আর এ আমটিকে নাচোলের তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলামিত্রের নামানুসারে ‘ইলামতি’ রাখার ইচ্ছাপোষণ করেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

জানা গেছে, সাধারণত আশ্বিনা দিয়ে আমের মৌসুম শেষ হয় অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে। কিন্তু নাবি জাতের ইলামতি আমটি অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে পাকা শুরু করে থাকবে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত। জানা গেছে, নাবী জাতের এ আমের দেখা মিলেছে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নের বেলাল বাজার এলাকায় আতিকুল ইসলামের আম বাগানে। ওই বাগানে আমের ৫টি গাছ রয়েছে। বাগান মালিক এ গাছগুলোকে গুটি জাতের আম হিসেবে ধারণা করতেন। তবে প্রাকৃতিকভাবেই হওয়া নাবি জাতটি বাগান মালিক আম বিজ্ঞানীদের সামনে মেলে ধরতে পেরেছেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রচলিত আমগাছের পাশাপাশি ইলামতি আমের ৫টি গাছ ছিল। সাধারণত এ আমের গাছগুলোকে গুটি কিংবা আশ্বিনা আমের সঙ্গে বিক্রি করা হতো। কিন্তু ২০১৬ সালে আমের মৌসুমের শেষদিকে এ ৫টি গাছের আম না পাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পর্যবেক্ষণে রাখা হয় কতদিন পর এ আমগুলো পাকে। পরে অক্টোবর মাসের প্রায় মাঝামাঝিতে আমগুলো পাকতে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, এভাবে বছর তিনেক পার হওয়ার পর ইউনিয়নের তৎকালীন কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ ইসলামকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। এরপর তিনি পর্যবেক্ষণ করেন গাছের বৈশিষ্ট্যগুলো। কিছুদিন পর হাবিবুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারে উদ্যানতত্ত্ববিদ হিসেবে যোগদান করেন। এরপরও তিনি গাছগুলোকে পর্যবেক্ষণেই রেখেছিলেন। এদিকে এখান থেকে ৩০টি ডগা সংগ্রহ করে বেশ কয়েকবছর থেকে বাগান তৈরী করেছিলেন নাচোলের কসবা ইউনিয়নের জালাল চেয়ারম্যান। তার বাগানে এখন ১৮০টি গাছ রয়েছে এবং গাছগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে আম।

হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, এ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য ইলামিত্র অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এ অঞ্চলে আমটির সন্ধান পাওয়ায় কৃষকদের প্রতি ইলামিত্রের সেই ত্যাগ ও ভালোবাসাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘ইলামতি’ নাম করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, এর আগে নাবি জাত হিসাবে গৌড়মতি মুক্তায়িত করা হয়েছিল। সন্ধান পাওয়া এই গুটি আমটি ২ বছরে পর্যবেক্ষণে এর মিষ্টতা গৌড় মতিকেও ছাড়িয়ে গেছে। নাবি জাত হিসাবে আমটি সম্ভাবনাময় এবং এ অঞ্চলের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

সকল নিউজ