নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির আমীরুল মুজাহিদীন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই-এর উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে চরমোনাইয়ের তিন দিনব্যাপী অগ্রহায়ণের মাহফিল। বুধবার (২৬ নভেম্বর) জোহরের নামাজের পর আনুষ্ঠানিকভাবে মাহফিলের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী বয়ানে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, “মানুষকে আল্লাহ পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন নির্দিষ্ট দায়িত্ব—বান্দেগি, ন্যায় ও সত্যের পথে চলার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য। দুনিয়া হচ্ছে সেই পরীক্ষা কেন্দ্র। এই পরীক্ষায় সফলতাই মানুষের প্রকৃত পরমানন্দ।”
তিনি জানান, চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্য কোনো দুনিয়াবি লক্ষ্য নয়; বরং মানুষকে আল্লাহর প্রতি মনোযোগী করা, দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করা এবং আত্মশুদ্ধির পথে ফিরিয়ে আনা।

তিনি আরও বলেন, “দুনিয়ার মোহই সকল অন্যায়ের মূল কারণ। তাই যে কেউ যদি দুনিয়াবি উদ্দেশ্য নিয়ে এখানে আসেন, তবে নিয়ত পরিবর্তন করে আখেরাতমুখী আমল করার প্রস্তুতি নিন। আল্লাহর জিকিরে ব্যস্ত থাকুন, অহংকার ও আমিত্ব দূর করে দিন।”

পীর সাহেব চরমোনাই আরও জোর দিয়ে বলেন,
“ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় জীবনও ইসলামের আলোকে পরিচালিত হলে সত্যিকার মুক্তি আসবে।”

চরমোনাই মাদরাসার মূল মাঠসহ পাশের আরও একটি মাঠ মিলিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই বৃহৎ মাহফিল। দুই মাঠেই রয়েছে কঠোর শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা। বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির নিরাপত্তা বাহিনীর স্পেশাল টিম দায়িত্ব পালন করছে। হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি ও সামগ্রী খুঁজে পেতে প্রতিটি মাঠেই রয়েছে হারানো ক্যাম্প।

মাহফিলে আগত মুসল্লীদের চিকিৎসাসেবার জন্য ১০০ শয্যার স্থায়ী মাহফিল হাসপাতাল চালু করা হয়েছে। ১৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ ৪০ জন ডাক্তার সার্বক্ষণিক সেবা দিচ্ছেন। মাঠে রয়েছে ১০টি অ্যাম্বুলেন্স ও ২টি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স। অসুস্থ হলে মাঠ থেকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে রয়েছে বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক দল।

সারাদেশ থেকে আগত মুসল্লীদের জন্য রয়েছে সুপেয় পানির ব্যবস্থা, সহস্রাধিক মানসম্মত টয়লেট, ওজু ও গোসলের পৃথক ব্যবস্থা, খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের স্থান, হালকা ও প্রশিক্ষণ।

আজ সকাল ৮টা থেকে হাজারো মুসল্লীকে বিভিন্ন হালকায় বিভক্ত করে হাতে-কলমে সালাত শিক্ষা এবং ইসলামের মৌলিক বিধান বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তিন দিনই এই কার্যক্রম চলবে।

মাহফিলের প্রথমদিন অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি সম্মেলন।
দ্বিতীয় দিন হবে ওলামা সম্মেলন।
শেষদিন সকালে অনুষ্ঠিত হবে ছাত্র গণজমায়েত।
এ ছাড়া ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ও ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের উদ্যোগে যুবক ও শ্রমিকদের নিয়ে আলাদা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আগামী ২৯ নভেম্বর শনিবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে পীর সাহেব চরমোনাই-এর আখেরি বয়ানের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ মাহফিলের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে।

চরমোনাই মাদরাসা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৪ সালে। প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মাওলানা সৈয়দ এছহাক (রহ.)।
তার ইন্তেকালের পর ১৯৭৭ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা সৈয়দ ফজলুল করীম (রহ.)।
২০০৬ সালে তার ইন্তেকালের পর থেকে বর্তমানে আমীরুল মুজাহিদীন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম — পীর সাহেব চরমোনাই।

মোঃ এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর :

“দেশীয় জাত উন্নত প্রযুক্তি, প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি”—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি) এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল মাঠ প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ গোলাম মাওলা সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ জেরিন জামান অনি।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা।
তিনি বলেন, “দেশীয় জাতের সংরক্ষণ ও উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার প্রাণিসম্পদ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। পশুপালনবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মণ্ডল, উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম, উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম খান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম আলাউদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন খান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল খালেক

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এএফএম সামসুদ্দোহা আজাদ, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ শাহাবুদ্দিন আকন সাবু, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান প্রিন্স, উজিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন শরীফ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আসমা বেগম, পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমির মোঃ আল-আমিন সরদারসহ স্থানীয় সামাজিক, রাজনৈতিক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
শেষে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

শাহিন সুমন :
মজিবর রহমান সরওয়ার বরিশালে রাজনৈতিক পরিচয় যেমন পেয়েছেন সংসদ সদস্য, হুইপ, সিটি কর্পোরেশন মেয়র ও বিএনপি উচ্চপদস্থ নেতা হিসেবে। কিন্তু তার সেই পরিচয়ের পাশে ছিলো বরিশালের উন্নয়নের জন্য স্থানীয়ভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার। মামুলি ঘোষণার মধ্যেই নয়, বরং বাস্তবচেষ্টায় কিছু উদ্যোগ তার নামের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

গত দশকে এবং তার আগে পরে সময়ে কিছু উন্নয়নমূলক দাবি, পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গা তিনি পেশ করেছেন এবং অংশবিশেষ বাস্তবায়নেও বলেছিলেন। সে কাজগুলো বিশেষত অবকাঠামো, নগর উন্নয়ন, শিক্ষাসহ সামাজিক কাজ যদিও পুরো ছবি তৈরি করতে পারেনি, তথাপি বরিশালের বদলে যাওয়া চিত্রে তার অবস্থান স্বীকৃত।

রাস্তাঘাট, সড়ক ও নগর যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন। বরিশালে দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও যোগাযোগ সমস্যার কারণে যানজট, বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা ও অস্বাস্থ্যকর অবস্থা চলছিল। সরোয়ার মেয়র থাকাকালীন নগরীর অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলোর সংস্কার ও নতুন রাস্তাপথ, ড্রেনেজ ও কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

পাশাপাশি, বড় সড়ক (হাইওয়ে/ন্যাশনাল রোড) উন্নয়নের দাবি তার নেতৃত্বে বারবার উঠে এসেছে। সম্প্রতি এক মানববন্ধন আয়োজনেও অংশ নেন, যেখানে ৬-লেইনের জন্য বরিশাল–ফরিদপুর ও বরিশাল–কুয়াকাটা জাতীয় সড়ক উন্নয়নের পুনরায় দাবি করা হয়।

এই ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা, যদি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হত, নগরবাসীর জন্য দৈনন্দিন যাতায়াতকে সহজ ও সুষ্ঠু করত।

সিটি কর্পোরেশন মেয়র হিসেবে সরোয়ার তার দায়িত্বের আওতায় ড্রেনেজ উন্নয়ন, খাল খনন ও নর্দমা নির্মাণ বরিশালে বর্ষার সময় জলাবদ্ধতা ও বৃষ্টির জলাবৃষ্টির সংকট কমানোর চেষ্টা ছিল অপরিসীম।

শহরের পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাস্তাঘাট, শহর লাইটিং ও নগর সৌন্দর্য এসব দিক উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। এমনকি, নগর ব্যাবস্থাপনায় একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পক্ষে ছিলেন মজিবর রহমান সরওয়ার, যাতে বরিশালকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

যদিও সব পরিকল্পনা বহুলাংশে বাস্তবায়ন হয়নি, তার নকশা ও পরিকল্পনাগত অবস্থান দেখিয়েছিলেন বরিশালকে “নগর উন্নয়ন” পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা।

সামাজিক দায়বদ্ধতায় মানুষের জন্য কাজ এবং দৃষ্টান্ত মাত্র রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নয় সরোয়ার মাঝে মাঝে সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন।

উন্নয়ন দাবির মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক সরোয়ার শুধু প্রশাসনিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলেন না; তিনি বরিশালের উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি দাবিও তুলেছেন সড়ক, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও ন্যায্য বরাদ্দ।

এ বছরই এক মানববন্ধনে জোরালো দাবি ছিল বরিশাল বিভাগের জন্য জাতীয় বাজেটে উন্নয়ন বরাদ্দ বৃদ্ধি, সড়ক ও স্বাস্থ্য খাত বাস্তবায়ন।

এর মাধ্যমে তিনি উপদেষ্টা ও সরকারের নজর আকর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন, যাতে বরিশালের অবহেলিত অংশগুলো উন্নয়নের দৃষ্টিতে আসতে পারে।

মজিবর রহমান সরওয়ার সংসদ সদস্য থাকাকালিন সময় কিন্তু, সব পরিকল্পনা বা প্রতিশ্রুতি সফল হয়নি। বিভিন্ন কারণ অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক, রাজনৈতিক প্ল্যান ও বাস্তবতার মধ্যে সময়মতো কাজ শেষ করতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

এমনকি, তার সংসদ সদস্য হিসেবে কর্মকালে তার কিছু সময় পরে বিতর্ক ও নির্দেশনা-পরিবর্তনও হয়েছে।

অনেক উন্নয়ন প্রকল্প বা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, বজেট অপ্রতুলতা, রাজনৈতিক মেরুপরিবর্তন ঘাটতির কারণে। বিগত আওয়ামী লীগ আমলে অনেক প্রকল্প বাতিল করা হয়। প্রকল্পের ধারাবাহিক কাজ না হওয়ার ফলে অনেক সুযোগই আদৌ কাজে রূপ পায়নি।

তবে, পুরোপুরি সফল না হলেও তার দৃষ্টিভঙ্গা, পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার বরিশালের উন্নয়নের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে রয়ে গেছে মজিবর রহমান সরওয়ার।

অনেকেই ধারনা করছেন বর্তমানে সময় হয়েছে পুরনো পরিকল্পনাগুলো পুনর্বিবেচনা করে, নতুন সুযোগ ও চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ফের বাস্তবায়ন করার।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে এটাই হবে তার প্রধান কর্মগুলোর অংশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

অপহরণপূর্বক ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মো. ফেরদৌস শেখকে রাজধানীর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ২টার দিকে র‌্যাব-৮, সিপিএসসি বরিশালের নেতৃত্বে এবং র‌্যাব-১০ এর সহায়তায় চুনকুটিয়া বালিকা বিদ্যালয় সড়ক এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার ফেরদৌস শেখ (পিতা: আলী আক্কাস শেখ) পিরোজপুর সদর উপজেলার টোন গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৯ সালে পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। এরপর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব জানায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, পলাতক আসামি গ্রেফতার, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেফতারের পর ফেরদৌস শেখকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

খবর ডেস্ক :
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সোমবার (২৫ নভেম্বর) শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ হালনাগাদ করে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

পূর্বের বিধিমালায় একাধিক সীমাবদ্ধতা থাকায় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। সেসব সীমাবদ্ধতা দূর করে নতুন চাহিদা, বাস্তবতা এবং প্রযুক্তিগত বিবেচনা যুক্ত করে এবারের হালনাগাদ প্রণয়ন করা হয়েছে।

পূর্বের বিধিমালায় কেবল ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষমতা প্রদান থাকায় সীমিত জনবল দিয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়নি। এ জন্য নতুন বিধিমালায় ম্যাজিস্ট্রেটগণের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে ট্রাফিক পুলিশের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে (ট্রাফিক সার্জেন্টের নিচের পদ নয়)।

এখন যদি কোনো ব্যক্তি ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এমন কোনো পুলিশ কর্মকর্তার সম্মুখে বিধি ৬ এর উপ-বিধি (২), (৩) বা (৪) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তা হলে উক্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই তাকে জরিমানা আরোপ করতে পারবেন। কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, এ উদ্যোগ শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে।

শব্দদূষণের অন্যতম বড় উৎস হর্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে পূর্বের বিধিতে আমদানি, উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রি সংক্রান্ত কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না থাকায় তদারকিতে বড় সীমাবদ্ধতা ছিল। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫- এ এ বিষয়ে স্পষ্ট শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে। ফলে অনিয়ন্ত্রিত হর্ন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন বিধিমালায় আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো পাবলিক প্লেস বা জনপরিসরে লাউডস্পিকার, মাইক, অ্যাম্প্লিফায়ার ও সুরযন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ; প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বনভোজন নিষিদ্ধ; যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে শব্দসীমা ৯০ ডেসিবল নির্ধারণ এবং অনুষ্ঠান রাত ৯টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা; নীরব এলাকায় পটকা, আতশবাজি, হর্ন বা অনুরূপ শব্দসৃষ্টিকারী যেকোনো পণ্য ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ; রাত্রিকালে নির্মাণকাজ বন্ধ; শিল্পকারখানা ও জেনারেটরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধান সংযোজন; এবং সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দণ্ড নির্ধারণ।

উল্লেখ্য, সরকার অংশীজনদের নিয়ে সভা ও কর্মশালা শেষে খসড়া প্রস্তুত করে। পরবর্তীতে সকল মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণ এবং জনগণের মতামতের জন্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে খসড়া উন্মুক্ত করা হয়।

এছাড়া বিভিন্ন দেশের বেস্ট প্র্যাকটিস পর্যালোচনা করে ২০০৬ সালের বিধিমালায় থাকা দূর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা হয় এবং বাস্তবতার নিরিখে সেগুলো শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন বিধিমালা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সোমবার (২৫ নভেম্বর) শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ হালনাগাদ করে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

পূর্বের বিধিমালায় একাধিক সীমাবদ্ধতা থাকায় এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। সেসব সীমাবদ্ধতা দূর করে নতুন চাহিদা, বাস্তবতা এবং প্রযুক্তিগত বিবেচনা যুক্ত করে এবারের হালনাগাদ প্রণয়ন করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো পাবলিক প্লেস বা জনপরিসরে লাউডস্পিকার, মাইক, অ্যাম্প্লিফায়ার ও সুরযন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ; প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বনভোজন নিষিদ্ধ; যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে শব্দসীমা ৯০ ডেসিবল নির্ধারণ এবং অনুষ্ঠান রাত ৯টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা; নীরব এলাকায় পটকা, আতশবাজি, হর্ন বা অনুরূপ শব্দসৃষ্টিকারী যেকোনো পণ্য ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ; রাত্রিকালে নির্মাণকাজ বন্ধ; শিল্পকারখানা ও জেনারেটরের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধান সংযোজন; এবং সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দণ্ড নির্ধারণ।

উল্লেখ্য, সরকার অংশীজনদের নিয়ে সভা ও কর্মশালা শেষে খসড়া প্রস্তুত করে। পরবর্তীতে সকল মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণ এবং জনগণের মতামতের জন্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে খসড়া উন্মুক্ত করা হয়।

এছাড়া বিভিন্ন দেশের বেস্ট প্র্যাকটিস পর্যালোচনা করে ২০০৬ সালের বিধিমালায় থাকা দূর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা হয় এবং বাস্তবতার নিরিখে সেগুলো শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন বিধিমালা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
“দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি—প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি” স্লোগানকে সামনে রেখে বরিশালে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৫ উদ্বোধন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে ও প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় চত্বরে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক মো. মাহফুজুল হক, বরিশালের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন এবং জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়, যা নবগ্রাম রোড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কার্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অতিথিরা প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং খামারিদের অগ্রগতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আলোচনা শেষে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিরা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী খামারিদের বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর নানা দিক ঘুরে দেখেন।

খবর ডেস্ক

ভোরের আলো ফুটতেই রাজধানীর কড়াইল বস্তির আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘরবাড়ির ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। খোলা আকাশের নিচে অসহায় হয়ে পড়েছেন বহু পরিবার। রাতের আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়—ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে নিজেদের ঘরের অবশিষ্ট যা আছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। কারও হাতে অর্ধদগ্ধ কাপড়, কারও কাছে ভাঙা বাসনপত্রই শেষ সম্বল। চারদিকে পোড়া কাঠ, টিন, কংক্রিট আর ধোঁয়ার তীব্র গন্ধ—যা মনে করিয়ে দিচ্ছে আগুনের দুঃসহ রাতের কথা।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন জানান, বস্তির ঘিঞ্জি পরিবেশ ও চরম পানি সংকটের কারণে আগুন নেভাতে বড় বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ১৯টি ইউনিট। স্থানীয় বাসিন্দারাও নেভানোর কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে কড়াইল বস্তিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পানি সংকট, সংকীর্ণ গলি এবং কাঠ-টিন নির্মিত ঘরের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের উৎস এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খবর ডেস্ক :

স্টিমরোলারের মতো নির্যাতন সত্ত্বেও বিএনপি কখনো জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার পরিবারসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন চালানো হলেও দল এখনও জনগণের শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহারের কারণে দেশে ভয়াবহ নৈরাজ্য সৃষ্টি হচ্ছে। কেউ কাউকে আর সম্মান করছে না—এমন একটি পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে। কোথাও কোথাও মব ভায়োলেন্স বা তাৎক্ষণিক সহিংসতা সৃষ্টি করে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “এভাবে আইনের শাসন চলতে পারে না। একটি সভ্য রাষ্ট্র কখনো এমন হতে পারে না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু পার্লামেন্ট নির্বাচন।”

অর্থনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেলা ভিত্তিক কৃষি ও শিল্পকে সমন্বিতভাবে গড়ে তুলতে পারলে দেশের অর্থনৈতিক সাফল্য দ্রুত আসবে। তবে জাতি হিসেবে দায়িত্ব পালনে এখনও ঘাটতি আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পার্লামেন্ট নির্বাচনের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার পথ পরিষ্কার হবে।”

নিজের রাজনৈতিক জীবনের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা কখনো রাজনীতিকে ব্যবসা হিসেবে ব্যবহার করিনি। নতুন বাড়ি করিনি। বরং জমি বিক্রি করে রাজনীতি করেছি। দেশ ও মানুষের কল্যাণই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
তিনি ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সব দিক বিবেচনা করে জনগণের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ীরা এবং জেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

বরিশালে আগামী ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য আঞ্চলিক মহাসমাবেশকে সফল করতে পিরোজপুরে সমমনা ৮ ইসলামী দলের যৌথ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে জেলা জামায়াতের আমির তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নেতারা আঞ্চলিক মহাসমাবেশ সফল করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন—ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি ইয়াহিয়া, খেলাফত মজলিসের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন, মুজাহিদ কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন শেখ এবং জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুর রব।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন—খেলাফত মজলিসের সদস্য সচিব মাসুম বিল্লাহ, জামায়াতের সেক্রেটারি মো. জহিরুল হক, সহকারী সেক্রেটারি সিদ্দিকুল ইসলাম, শেখ আব্দুর রাজ্জাক, পেশাজীবী নেতা ড. আব্দুল্লাহিল মাহমুদ, প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি সোহরাব হোসেন জুয়েল, জামায়াত নেতা রমজান হোসেন খলিফা, জহিরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।