নিজস্ব প্রতিবেদক :
এবছরের ঈদ অন্যান্য বারের তুলনায় ভালো কাটবে। কারন বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে বিএনপি ও দলীয় অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ছিল হয়রানির মধ্যে। যার কারনে সাধারন মানুষের মাঝে বিচরন ছিলনা বিএনপি নেতা কর্মিদের। এমনটাই বলেছেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার।

আজ শনিবার (২৯ মার্চ) সকালে নগরী রুপাতলী এ ওয়াহেদ বিদ্যালয় মাঠে শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ কালে একথা বলেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদের খুশি ভাগ করে নিতে বরিশালের অসহায় দুস্ত গরিব মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। মহানগরীর এসব মানুষ নতুন শাড়ি লুঙ্গি পেয়ে বেজায় খুশি হয়েছে।

ঈদ উপহার বিতরণ কালে তার সাথে মহানগর বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেছেন, হাসপাতালে রোগীর দালাল প্রতিরোধের জন্য দালালসহ দালাল প্রেরণকারী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সে ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে বেসরকারি ল্যাব গুলো পরিচালনা করতে হবে। ‘তবে সরকারি হাসপাতালে উন্নয়ন হলে, বেসরকারি ল্যাবগুলোর উন্নয়ন হবে। এতে প্রতিযোগিতা বাড়বে আর রোগীরা পাবেন কাঙ্ক্ষিত সেবা।’

হাসপাতাল থেকে রোগীর দালাল প্রতিরোধের লক্ষ্যে আজ শনিবার পরিচালক হাসপাতালের সামনের বান্দ রোডস্থ বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ল্যাব মালিক ও প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশীদার ছাড়া স্বাস্থ্য উন্নয়ন সম্ভব করা প্রায় অসম্ভব। তাই জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ভূমিকা রাখছে। কল্যাণকর সকল কাজে আমার সহযোগিতা থাকবে, অকল্যাণকর কাজ বন্ধে আমার কঠোর অসহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, দালালমুক্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করতে হবে। রক্ত সংগ্রহের জন্য সনদধারী টেকনিশিয়ান থাকতে হবে। কিশোর-কিশোরী কিংবা শিক্ষিত নয় অথবা উচ্ছৃঙ্খল কাউকে ল্যাবের প্রতিনিধি নিয়োগ করা যাবে না। তিনি নিয়ম অনুযায়ী ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বেলা ১১ টায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন সেমিনারে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর’র দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে একমত পোষণ করেছেন ২৫টি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ল্যাব মালিক ও প্রতিনিধিরা।

বরিশালের খবর ডেস্ক: 

বরিশাল জেলার আটটি বালুমহল ইজারার দরপত্র জমাদানে বাধা এবং একজনকে তুলে নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তোলপাড় চলছে। এ ঘটনায় বরিশাল মহানগর যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল এবং হিজলার বেশ কয়েকজনের জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঁদের মধ্যে হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিবসহ তিনজনকে গতকাল সোমবার রাতে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

 

এদিকে এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার আ. মতিন কাজী নামের এক ঠিকাদার কোতোয়ালি মডেল থানায় ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

জানা গেছে, বালুমহলের ইজারা দখলের এই পক্ষটি গত রোববার ধরে নগরের লঞ্চঘাটসংলগ্ন রিচমার্ট হোটেলে বসে গুছ (প্রস্তুতি) প্রক্রিয়া চালায়। এ ঘটনায় বরিশাল বিএনপিতে সমালোচনার ঝড় বইছে। এ নিয়ে আজ দৈনিক আজকের পত্রিকায় ‘দরপত্র জমা দিতে যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বাধা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

 

জানতে চাইলে হিজলার বালুমহলের ইজারায় দরপত্র জমা দেওয়া আরবি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবুল বাছেদ দাবি করে বলেন, ‘আমার খালাতো ভাই জাফরকে ধরে নিয়ে যায় কয়েকজন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আটক ব্যক্তিরা হলেন হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি নুর হোসেন সুজন এবং হিজলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ইমরান খন্দকার। রিচমার্টে তাঁরা জড়ো হয়ে সকল ঠিকাদারের দরপত্র বাগানোর তৎপরতা চালায়। এ ঘটনায় মামলাও হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বালুমহল ইজারায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তিনজনকে আটক করেছে বলে শুনেছি। ওই ঘটনায় মামলাও হচ্ছে। তবে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত আটককৃতদের থানায় হস্তান্তর করা হয়নি।

 

এ প্রসঙ্গে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক বলেন, ‘এই ধরনের টেন্ডারবাজদের কোনো ছাড় নেই। এরা দলের কাছে ঘৃণিত। চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, দখলবাজদের অপকর্ম তুলে ধরায় গণমাধ্যম প্রশংসার দাবি রাখে। নগর বিএনপি এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের পাশে থাকবে।

 

উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি দেওয়ান শহীদুল্লাহ বলেন, ‘বালুমহল ইজারা নিয়ে আটকের বিষয়ে আমরাও ধোঁয়াশায় ছিলাম। বিভিন্ন কথা শুনেছি। যারা সন্ত্রাস করে, তারা দলে থাকতে পারবে না। আমি তো আশ্চর্য হয়েছি, মনির দেওয়ানের মতো লোক টেন্ডারবাজি করে?’ তিনি স্বীকার আরও বলেন, ‘হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে অনেক নেতার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আছে। বালু উত্তোলন, ইটভাটা নিয়ে চাঁদাবাজির খবরও আসছে। বিএনপি এদের ছাড় দেবে না।

 

 

মো:এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় ২৫মার্চ গণহত্যা ও ঐতিহাসিক মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা ও ২০২৪ সালে জুলাই – আগস্ট ছাত্র – জনতার অভ্যুত্থানে নিহত- আহতদের মাঝে আর্থিক অনুদান বিতরন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

২৫মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজার সভাপতিত্বে, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায়, বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ মাঈনুল ইসলাম খান, উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আসমা বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আয়নাল হক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল মাজেদ তালুকদার মান্নান মাষ্টার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল মোতালেব, আন্দোলনে আহত আবুল কালাম আজাদ।

 

আলোচনা সভা শেষে জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২ জন শহিদ ও ১৪ জন আহতদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্বজনরা, সাংবাদিকবৃন্দ,

মো:এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর :

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী উপজেলা শাখার উদ্যোগে, মাহে রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

 

১৭মার্চ সোমবার বিকাল ৪টায়, সাকুরা ফুড ভিলেজে, উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে, ও উপজেলা জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি মোঃ খোকন সরদারের সঞ্চালনায়, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমির আলহাজ্ব মাষ্টার আব্দুল মান্নান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক সাইয়েদ আহমেদ খান,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো:আলী সুজা, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো: হুমায়ূন খান। এছাও জামায়াত ইসলামের বরিশাল জেলা ও উজিরপুর উপজেলা নেতা কর্মিগণ উপস্থিত ছিলেন। ইফতারের আগে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে দেশের জনগনের জন্য দোয়া মোনাজাত করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশাল জেলায় বিভিন্ন সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারের মাঝে ৩১ লক্ষ টাকার সহায়তা চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ সোমবার বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে বিআরটিএ’র ট্রাস্টি বোর্ডের মঞ্জুরীকৃত টাকা নিহত এবং আহত পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৭ পরিবারের মাঝে এই সহায়তা চেক হস্তান্তর করেন। নিহত ছয় পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে এবং আহত এক পরিবারকে ১ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

এসম উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ সহকারী পরিচালক খালেদ মাহমুদ, মাওশির পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন সহ অন্যান্যরা।

বরিশাল: বরিশালে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৫ মার্চ) সকালে নগরের কাউনিয়া এলাকায় নগর মাতৃসদন কম্পাউন্ডে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এবারে নগরসহ গোটা ব‌রিশাল জেলায় ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫৯০ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এরমধ্যে বরিশাল সিটি করপোরেশনে ৩০টি ওয়ার্ডে ৫৮ হাজার ৪৬০ শিশু এবং বরিশাল জেলার ১০টি উপজেলার ২৫৮টি ওয়ার্ডে ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫৯০ শিশু রয়েছে।

সিটি করপোরেশন ব্যতিত বরিশাল জেলায় ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী ৩৪ হাজার ৩৪১ শিশুকে নীল রঙের এক লাখ ওট ক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন খাওয়ানো হবে।

অপরদিকে ১২ থেকে ৫৯ বয়সের ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৯ শিশুকে লাল রঙের দুই লাখ ওট ক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন খাওয়ানো হবে।

বরিশাল জেলার ১০ উপজেলার ৮৭ ইউনিয়নের ২৫৮ টি ওয়ার্ডে ২ হাজার ৭৩ টি স্থায়ী-অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৪৬ জন স্বেচ্ছাসেবক এ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

অপরদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের আওতায় ২২০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ৫৮ হাজার ৪৬০ শিশুকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী আট হাজার ৫০০ জন শিশুকে নীল রঙের এক লাখ ওট ক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন খাওয়ানো হবে।

এছাড়া ১২ থেকে ৫৯ বয়সের ৪৯ হাজার ৯৬০ শিশুকে লাল রঙের দুই লাখ ওট ক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন খাওয়ানো হবে। সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ৪৩৮ জন কর্মী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজে নিয়োজিত থাকবে।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মনজরুল ইসলাম শুভ্র জানান, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ১৫ মার্চ বাস্তবায়ন করার লক্ষে আগাম সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সৌজন্যে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ করা হয়।

বুধবার সন্ধ্যায় বরিশালের ২৫ জন বেকার ও সমস্যাগ্রস্থ সাংবাদিকদের মাঝে বিভিন্ন উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

উপহার সামগ্রী বিতরণকালে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আযাদ আলাউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান হিরা, সহ সভাপতি এম মোফাজ্জল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আরিফিন তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক আল মামুন, কোষাধ্যক্ষ তালুকদার মাসুদ, নির্বাহী সদস্য লতিফুর রহমান জাকির প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হচ্ছে দর্শনার্থী কার্ড। সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে আগামী সপ্তাহেই চালু হতে যাচ্ছে দর্শনার্থী কার্ড। চিকিৎসার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাসপাতালে যেন অতিরিক্ত দর্শনার্থী প্রবেশ না করতে পারে সেজন্য দর্শনার্থী কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর।

জানা গেছে, ১৯৬৮ সালে মাত্র ৩৬০ শয্যার অবকাঠামো নিয়ে নির্মিত হয় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি। ৫৭ বছর পর হাসপাতালটির অবকাঠামোগত তেমন উন্নতি হয় নি। কিন্তু দিনে দিনে বেড়েছে রোগী। বর্তমানে গড়ে প্রতিদিন নতুন ভাবে ৭০০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। ফলে হাসপাতালে অন্তঃ বিভাগে ভর্তি থাকেন প্রায় ৩ হাজার রোগী। প্রতি জন রোগীর সাথে ৪/৫ জন দর্শনার্থী কিংবা স্বজন অবস্থান নেন হাসপাতালে। দিনে দিনে হাসপাতালে রোগী ও রোগীর স্বজনদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও সেই তুলনায় হাসপাতালের অবকাঠামোগত কোন উন্নতি হয় নি। ফলে মানুষের অতিরিক্ত চাপে হাসপাতালের টয়লেট ও পরিবেশ নোংড়া হওয়াসহ সর্বক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর (এসজিপি, এসইউপি, এমবিবিএস, এমফিল, এমপিএইচ, এমডিএম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী) শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসার পরিবেশ নিশ্চিত করতে দর্শনার্থী কার্ড চালু করতে যাচ্ছেন।

হাসপাতালের মেডিসিন ভবনের দায়িত্বে থাকা ওয়ার্ড মাস্টার জুয়েল চন্দ্র শীল বলেন, হাসপাতালের মেডিসিন ভবন অন্ধকার ও টয়লেট সমস্যা সমাধানের ব্যাপক কাজ করেছেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর স্যার। তিনি অতি সম্প্রতি মেডিসিন ভবনে চিকিৎসক, সেবিকা ও রোগীদের জন্য একাধিক পৃথক টয়লেট ব্যবস্থা ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে নতুন জানালার ব্যবস্থা করে অন্ধকার দুর করতে সক্ষম হয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এই ভবনে আরো সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই দর্শনার্থী কার্ড বা গেট পাশের ব্যবস্থা চালু করছেন পরিচালক স্যার। ইতোমধ্যে দর্শনার্থী কার্ড সম্পর্কে নিয়ম ও শর্তাবলি ব্যানার আকারে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে।

দর্শনার্থী কার্ড ব্যবস্থার নিয়মে বলা হয়েছে, ১/ দর্শনার্থী কার্ড ব্যতীত হাসপাতালের ভিতরে প্রবেশ নিষেধ, ২/ ১০০ টাকা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করুন। কার্ড জমা দিয়ে ১০০ টাকা ফেরত নিন। ৩/ একজন রোগীর জন্য সর্বোচ্চ দুইটি কার্ড সংগ্রহ করা যাবে। ৪/ কার্ডের মেয়াদ ৭দিন। ৫/ মেয়াদ উত্তীর্ণ কার্ড ব্যবহার করলে ১০০টাকা জরিমানা আদায় করা হবে।

হাসপাতালের সরকারি পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ মাহমুদ হাসান বলেন, দর্শনার্থী কার্ড ব্যবস্থা চালু হলে এই হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন প্রায় ১২ হাজার দর্শনার্থীর চাপ কমে যাবে। আগামী সপ্তাহেই প্রাথমিক ভাবে মেডিসিন ভবনে দর্শনার্থী কার্ড ব্যবস্থা চালু হবে। পর্যায়ক্রমে হাসপাতালে পুরো অন্তঃ বিভাগে এই নিয়ম চলবে। তিনি আরো বলেন, পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর স্যার’র নির্দেশে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে দর্শনার্থী কার্ড বিতরণ করা হবে। কম্পিউটারে কোন রোগী কবে থেকে কয়টি দর্শনার্থী কার্ড ভোগ করছেন সেই তথ্য লিপিবদ্ধ করা থাকবে।

এ বিষয়ে হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, অতিরিক্ত দর্শনার্থী হাসপাতালে চিকিৎসার সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত হয়। হাসপাতালে চিকিৎসার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাসপাতালে যেন অতিরিক্ত দর্শনার্থী প্রবেশ না করতে পারে সেজন্য দর্শনার্থী কার্ড ব্যবস্থা চালু করা হবে। তবে হাসপাতালের ভিজিটিং আওয়ারে (বিকেল ৩টা থেকে ৫টা) দর্শনার্থী কার্ড ছাড়া হাসপাতালে প্রবেশ করতে পারবেন স্বজনেরা। হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নে তিনি সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :
মাগুরায় তৃতীয় শ্রণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে বরিশালে মহিলা দলের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলাদল বরিশাল মহানগরের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মহানগর মহিলাদলের সভাপতি ফারহানা ইয়াসমিন তিথির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার সহ অনান্যরা।

বিক্ষোভ সমাবেশ নেতৃবৃন্দরা বলেন, আছিয়ার মতো এক শিশু ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা। যারা এঘটনার সাথে জড়িত তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা ও সাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

পরে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে তারা। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।