নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে দেশের ৬ সিটি করপোরেশনে রাজনৈতিক ভাবে বিএনপির নেতৃবৃন্দ স্থান পেয়েছে। বাকি সিটি করপোরেশন গুলোতেও এমন ভাবে প্রশাসক নিয়োগ হতে পারে খবরে শুরু হয়েছে লবিং তদবির। আর এরই ধারাবাহিকতায় আলোচনায় এসেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। নগরজুড়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা কল্পনা, কে হচ্ছেন নতুন প্রশাসক? স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের একাধিক বিএনপি নেতার নাম রয়েছে আলোচনায়। রাজনৈতিক মহলেও এ নিয়ে তৈরি হয়েছে বাড়তি তৎপরতা। যদিও এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
বর্তমানে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করছেন বিভাগীয় কমিশনার মাহফুজুর রহমান। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নগর পরিষদ ভেঙে দিয়ে বিভাগীয় কমিশনারকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি ৩০টি ওয়ার্ডে সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নাগরিক সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসক পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপির একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে।
তাদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবায়েদুল হক চাঁন, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ, কেন্দ্রীয় বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন। তাদের অনেকেই আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী বলেও জানা গেছে। এছাড়াও মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক প্যানেল মেয়র আলহাজ কে.এম শহিদুল্লাহ, সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির এবং যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা জাকির হোসেন নান্নু, যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা নাসরিন ও এ পদটির প্রত্যাশা করছেন।
এ বিষয়ে বিএনপির বেশকয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সাথে কথা বললে তারা জানান, বরিশাল সিটি করপোরেশন নিয়ে দল এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, তবে দলের দুর্দিনে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদেরই মূল্যায়ন করা হবে।
বরিশালের সচেতন মহল মনে করেন, গুরুত্বপূর্ণ এ পদে দলের দূর সময়ে নেতা কর্মিদের পাশে থেকে তাদের নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করা ছাড়াও সব সময় নেতা কর্মিদের পাশে থেকেছেন। এদিকেও খেয়াল রাখতে হবে যারা জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতি করে স্থানীয় দাবিদারদের হক কেড়ে নেয়ার ব্যপারটিও দেখতে হবে। যাতে তারাও বঞ্চিত না হয়।






