TT Ads
Spread the love

শাহিন সুমন :
বরিশাল সিটি করপোরেশনে মেয়র হিসেবে কাকে দেখতে চান নগরবাসী? এই প্রশ্ন সবার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা চলছে। দীর্ঘ ১৭ বছর যারা বরিশালে কোনদিন রাজনীতি করে নাই তারা এখন মেয়র চায় এমন প্রশ্নেও অনেকে করছেন।

বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ কিংবা সম্ভাব্য মেয়র নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নগরকেন্দ্রিক প্রশাসনিক পদে এমন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হলে যিনি দীর্ঘদিন নগর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে গতি আনতে সহায়ক হতে পারে।

মহানগর বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে এমন একজনকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত যিনি আন্দোলনে পরীক্ষিত, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ এবং নগরবাসীর সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত।

তবে দলীয় সূত্র বলছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর ওপর। দলের জন্য কার কী অবদান, সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় নিয়েই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসক পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপির একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে।

তাদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ যারা জাতীয় রাজনীতি করেন। ৫ আগস্টের পর বরিশালের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন।

এদিকে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবায়েদুল হক চাঁন দীর্ঘ দিন রাজনীতিতে থাকলেও মাঠে সক্রিয় ভূমিকায় চোখে পড়েনী নেতা কর্মিদের। কেন্দ্রীয় বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন কে অনেকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে বিবেচনায় রাকছেন, তবে তিনি আশাবাদি।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সরকারবিরোধী আন্দোলনে বরিশাল মহানগরে ধারাবাহিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক ও সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার এবং বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন। মিছিল-সমাবেশ, অবস্থান কর্মসূচি, প্রতিবাদ কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিয়েছেন হামলা মামলা শিকার হয়েছেন তারা। তারাও আশা করছেন দলের চেয়ারম্যান বিগত দিনগুলোর কথা চিন্তা করে তাদের দিকে সু-দৃষ্টি দেবেন।

এছাড়াও মহানগরের সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল কবির এবং যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা জাকির হোসেন নান্নু, যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা নাসরিনও এ পদটির প্রত্যাশা করছেন।

 

TT Ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *