মোঃএমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর :
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার উজিরপুর পৌরসভার পরমানন্দসাহা গ্রামের ৩ সন্তানের জননী এক গৃহবধূকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পুলিশ কনস্টেবল কর্তৃক অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন মহলে অভিযোগ দায়ের করেও বিচার না পেয়ে হতাশা ভুগছে গৃহবধূ। অভিযোগ সুত্রে জানা যায় নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামের মৃত ছালাম মিয়ার মেয়ে মোসাঃ তাসলিমা আক্তার সাথি (২৬)এর সাথে বরিশাল জেলার উজিরপুর পৌরসভার পরমানন্দসাহা গ্রামের আলামিনের সাথে সামাজিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ৩টি পুত্র সন্তান রয়েছে। তবে ৪/৫ বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয় ।
কলহের কারনে দুই বছর পূর্বে ভোলা জেলার আলিনগর ইউনিয়নের সাছিয়া গ্রামের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে বাবুগঞ্জ উপজেলার বাবুগঞ্জ থানার কনস্টবল মোঃ শাহিন আজাদ(ব্যাচ নং-১১৩৯) মোসাঃ তাসলিমা আক্তার সাথিকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরকীয়া প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্বর্বঃসান্ত করেন । এ ঘটনায় গৃহবধু তাসলিমা আক্তার সাথি সাংবাদিকদের কান্নার কন্ঠে বলেন লম্পট শাহিন আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে এবং ঢাকায় যাওয়ার সময় লঞ্চের কেবিন রুমে প্রায়ই শারিরীক সম্পর্ক ও যৌন নিপিড়ন করে থাকে।
এঘটনা আমার স্বামী আলামিন জানতে পেরে আমাকে তালাক প্রদান করে । শাহিনের বিরুদ্ধে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েও বিচার পাইনি।
এমনকি আদালতে মামলা দায়ের করা হলেও তাকে গ্রেফতার করেনি কোতোয়ালি থানা পুলিশ।তার জন্য আমার স্বামীর সংসার ভেঙে গেছে এবং আমি তালাকপ্রাপ্ত হই। অভিযুক্ত পুলিশের মোবাইল ফোনে ফোন করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে পুলিশ কনস্টেবলের গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন অসহায় ভুক্তভোগী নারী।






