নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের ৩৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেছেন। এর মধ্যে বরিশাল-১ আসনে (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) পাঁচজনকে, বরিশাল-২ আসনে (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আটজনকে, বরিশাল-৩ আসনে (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) ছয়জনকে, বরিশাল-৪ আসনে (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) পাঁচজনকে, বরিশাল-৫ আসনে (সদর) ছয়জনকে এবং বরিশাল-৬ আসনে (বাকেরগঞ্জ) ছয়জনকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
যেখানে ৩৫ জন প্রার্থী দলীয় প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন এবং জেলার একমাত্র আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী বরিশাল-১ আসনের (গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া) ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানকে তার কাঙ্ক্ষিত ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট বৈধ প্রার্থী ছিলেন ৪৩ জন। এরমধ্যে সাতজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় ৩৬ জন প্রার্থী রয়েছেন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, দলীয় প্রার্থীদের দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
কাঙ্ক্ষিত প্রতীক পেয়ে আনন্দিত বরিশাল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান বলেন, আমার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের অনুপ্রেরণাই আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে।
তাদের মতামতের ভিত্তিতেই আমি ফুটবল প্রতীক চেয়েছিলাম। আর সেই কাঙ্ক্ষিত ফুটবল প্রতীকই আমি পেয়েছি।
তিনি বলেন, আমি বরিশাল-১ আসনের সাধারণ মানুষের প্রার্থী। ভোটাররা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, ভোটাররা যা বলবেন, যেভাবে চাইবেন; আমি সেভাবেই উন্নয়ন করবো।
প্রত্যেক নাগরিকের যানমালের নিরাপত্তা, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন, বেকার সমস্যা দূরীকরণে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত বরিশাল-১ আসন গড়াই আমার নির্বাচনী অঙ্গীকার।
অপরদিকে, বরিশালের ছয়টি আসনের প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর তাদের কর্মী-সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা শুরু করেছেন। সবমিলিয়ে পুরো নির্বাচনি আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বরিশাল জুড়ে।






