নাহিদ বিন রফিক :
গণভোট নিয়ে কৃষি বিভাগের সাথে কৃষকদের সচেতনতামূলক সভা গতকাল ঝালকাঠিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নলছিটি উপজেলার ভৈরব পাশা ইউনিয়ন পরিষদে কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার শেখ হাবিবুর রহমান। ভৈরব পাশা ইউনিয়নের প্রশাসক মো. অহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব লাল বিশ্বাস, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মাকসুদুর রহমান, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. জামাল, ইউপি সদস্য মো. নুরুল আলম মানিক প্রমুখ। সভা শেষে কৃষকদের গণভোটের লিফলেট বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অর্ধশতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই দিন ভোটারদের দুইটি ব্যালট দেওয়া হবে। এর মধ্যে গোলাপী রঙের ব্যালটের মাধ্যমে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ ভোট প্রদানের সুযোগ থাকবে। তারাই ‘হ্যাঁ ভোট’ দিবেন যারা মনে করেন-তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে। সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না। সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু হবে। বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন। যত মেয়াদই হোক, কেউ সর্বোচ্চ দশ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়বে। ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য পার্লামেন্টে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে। আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা (যেমন: ইন্টারনেট সেবা কখনও বন্ধ করা যাবে না) বাড়বে। দন্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে। আর এগুলো যারা চান না তারা দিবেন ‘না ভোট’। তবে মনে রাখতে হবে, কারো ভুল সিদ্ধান্তে যেন দেশের সবাই ক্ষতিগ্রস্ত না হই।






