আবুল হোসেন রাজু, কুয়াকাটা :
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কুয়াকাটায় শোকসভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের আয়োজনে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) আসর নামাজের পর হোটেলের গ্র্যান্ড ইন হলরুমে এ শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।
শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী। বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ইস্তানবুল হোটেল এমডি এমদাদুল হক,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুয়াকাটা পৌর শাখার সভাপতি মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম, কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন ঘরামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, গণতন্ত্রে তার ভূমিকা এবং দেশের জন্য তার অবদানের কথা স্মরণ করেন। তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন আপসহীন ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেত্রী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
শোকসভায় দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন সাগর সৈকত জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মোস্তফা কামাল। দোয়া মোনাজাতে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতের কল্যাণ কামনা করা হয়।
শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাসুদ বিন সাঈদী বলেন,বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন। তার মৃত্যুতে জাতি একজন অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে হারিয়েছে।আরও বলেন, তিনি আলেম-ওলামা ও ইসলামপন্থীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন এবং কখনো তাদের নিয়ে কটূক্তি করেননি।
এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন, মহিপুর প্রেসক্লাব, লতাচাপলী ইউনিয়ন বিএনপি, মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও ধুলাসার ইউনিয়ন বিএনপিসহ বিভিন্ন সংগঠন পৃথকভাবে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। এসব কর্মসূচিতে মরহুমার আত্মার মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করা হয়।






